এটি একটি মর্মান্তিক ঘটনা যেখানে মানসিক হতাশাগ্রস্ততা এবং পারিবারিক দুঃখের প্রেক্ষাপটে একটি তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সোনিয়া ইসলাম, যার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন যে, তিনি কিছুদিন ধরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।
এই ঘটনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান জানান, পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের অনুমতি দিয়েছে।
মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মালেক জানিয়েছেন, এই ঘটনার ব্যাপারে থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোনিয়ার বাবা শামসুল হক অবসরে যাওয়ার আগে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চাকরি করতেন। কয়েক বছর আগে তার ছেলে মারা যান এবং এবার তার মেয়ে সোনিয়ার মৃত্যুতে তিনি নিঃসন্তান হয়ে গেলেন।
এটি একটি অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা, যেখানে পারিবারিক শোক ও মানসিক চাপ এক সাথে মিলিত হয়েছে।



