খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ই নভেম্বর ২০২৫, ২:১৭ এএম
ত্রিদেশীয় টি–টোয়েন্টি সিরিজে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার ৮ উইকেটের জয় শুধু টুর্নামেন্টে টিকে থাকার লড়াই নয়, দলটির ব্যাটিং কাঠামো ও মানসিক শক্তির প্রতিচ্ছবিও তুলে ধরেছে। সবচেয়ে বড় বিষয় ছিল ওপেনার পাতুম নিশাঙ্কার ম্যাচ–জয়ী ও রেকর্ড–গড়া ইনিংস।
জিম্বাবুয়ে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৪৬ রান তুললেও রানটি প্রতিযোগিতামূলক ছিল না। রাওয়ালপিন্ডির ব্যাটিং–সহায়ক উইকেটে সিকান্দার রাজা ও রায়ান বার্ল ছাড়া আর কেউই তেমন সুবিধা করতে পারেননি। ব্যাটিং ব্যর্থতা ও মাঝারি মানের স্ট্রাইক রেট জিম্বাবুয়েকে চাপে ফেলে। বিশ্লেষকদের মতে, টি–টোয়েন্টিতে ১৫০–১৬০ রানের নিচে স্কোর করলে প্রতিপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করা অত্যন্ত কঠিন।
জবাবে শ্রীলঙ্কা অত্যন্ত নির্মোহ ক্রিকেট খেলেছে। পাওয়ার প্লের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং ম্যাচটির দিক নির্ধারণ করে দেয়। নিশাঙ্কা ও কুশল মেন্ডিস মিলে গড়ে তোলেন সুসংগঠিত ও আধুনিক টি–টোয়েন্টির উদাহরণ—ঝুঁকি নিয়েও সঠিক শট নির্বাচন।
শেষ পর্যায়ে যখন ফোকাস চলে যায় নিশাঙ্কার সেঞ্চুরির সম্ভাবনায়, তখন দেখা যায় তাঁর ইনিংসের আরেকটি মাত্রা—স্বাভাবিক ক্রিকেট স্ট্রোক খেলেই তিনি দলের জয় নিশ্চিত করেন। যদিও সেঞ্চুরি থেকে দুই রান দূরে থেমেছেন, কিন্তু ৫৮ বলে ৯৮ রানের অপরাজিত ইনিংসটিই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়।
এই ইনিংসের মধ্য দিয়ে তিনি কুশল পেরেরাকে পেছনে ফেলে শ্রীলঙ্কার সর্বোচ্চ টি–টোয়েন্টি রান–সংগ্রাহক হন—২৩২৬ রান। লঙ্কান ক্রিকেটে এখন চলছে ত্রিমুখী দৌড়—নিশাঙ্কা, মেন্ডিস ও পেরেরা—কে থাকবেন সবার ওপরে।
এই জয়ে শ্রীলঙ্কা ফাইনালের দৌড়ে ফিরেছে। এখন তাদের সামনে ‘ডু অর ডাই’—পাকিস্তানকে হারালেই ফাইনাল।
মন্তব্য