খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ই আগস্ট ২০২৬, ৪:৫৭ পিএম
রাজধানীর শ্যামলীতে কয়েকটি টিনশেড বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আগুনে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও জানা যায়নি।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে শ্যামলীর ৩ নম্বর রোডে, ঢাকা উদ্যানের পরবর্তী অংশে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে আগুন লাগার খবর আসে। খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।
ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুনের বিস্তার ঠেকাতে কাজ শুরু করেন। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও আগুন নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করেন। টিনশেড বসতঘর হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকলেও ফায়ার সার্ভিসের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়নি।
ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট প্রায় ৪০ মিনিট কাজ করার পর বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। আগুনের তীব্রতা এবং ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি বিবেচনায় অতিরিক্ত কোনো ইউনিট পাঠানোর প্রয়োজন হয়নি বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক আনোয়ারুল ইসলাম জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে দুটি ইউনিট কাজ করেছে। আগুনের তীব্রতা বিবেচনায় বাড়তি কোনো ইউনিটের প্রয়োজন হয়নি।
আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর ঘটনাস্থলে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি ও অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের কারণ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। বৈদ্যুতিক ত্রুটি, রান্নার চুলা কিংবা অন্য কোনো উৎস থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য জানানো হয়নি।
এ ধরনের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় টিনশেড ঘর পাশাপাশি থাকায় অগ্নিকাণ্ডের সময় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে। সরু রাস্তা বা সীমিত প্রবেশপথ থাকলে উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রমও জটিল হয়ে উঠতে পারে। ফলে আগুনের খবর পাওয়ার পর দ্রুত ফায়ার সার্ভিসকে জানানো এবং আশপাশের বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে আগুনে কতটি বসতঘর বা কী পরিমাণ সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারণ করা যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পরবর্তী তদন্ত ও পরিদর্শনের মাধ্যমে জানা যেতে পারে।
মন্তব্য