বুধবার (২১ অক্টোবর) গভীর রাতে শ্রীপুর পৌরসভার চন্নাপাড়া গ্রামের ২ নম্বর সিএন্ডবি বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ঝুট ও তুলার গুদাম, স্যানিটারি সামগ্রীর দোকান, মুরগির দোকান এবং ভাঙারির দোকান রয়েছে।
শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার নুরুল করিম জানান, রাত ৩টা ৫৫ মিনিটের দিকে বাজারে আগুন লাগার খবর পান তাঁরা। খবর পাওয়ার পরপরই শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু করে। তবে আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও দুটি ইউনিট যুক্ত করা হয়। এর মধ্যে শ্রীপুর ফায়ার স্টেশনের আরেকটি ইউনিট এবং রাজেন্দ্রপুর মডার্ণ ফায়ার স্টেশনের একটি ইউনিট ছিল।
ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট সম্মিলিতভাবে আগুন নেভানোর কাজ চালায়। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার পর ভোর ৫টা ৪৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুন যাতে আশপাশের অন্যান্য দোকানপাটে ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সে জন্য দমকলকর্মীরা একযোগে কাজ করেন।
বাজারটিতে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ঝুট ও তুলার মতো দাহ্য পদার্থ মজুত থাকা গুদামে আগুন লাগলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। এ ধরনের অগ্নিকাণ্ডে আশপাশের স্থাপনা ও দোকানপাটও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
তবে আগুন কীভাবে লেগেছে, তাৎক্ষণিকভাবে সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান ও গুদামের সংখ্যা এবং আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।
স্টেশন অফিসার নুরুল করিম জানান, অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের মাধ্যমে জানা যাবে। প্রাথমিকভাবে কোনো হতাহতের খবর না পাওয়া গেলেও ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের পর ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে।
গভীর রাতে বাজারে আগুন লাগার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে আগুনের সূত্রপাত, কী পরিমাণ মালামাল পুড়েছে এবং ক্ষতির পরিমাণ কত—এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পরই নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যাবে।


