বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে মোহাম্মদপুরের আইটি জেড স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র রাকিব হাসানের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
সোমবার (১৪ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম. এ আজহারুল ইসলাম তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন। এ বিষয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী মোর্শেদ হোসেন শাহীন সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, সকালে কামরুল ইসলাম ও মানিককে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. হাফিজুর রহমান তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করে এবং পরবর্তীতে তাঁদের কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত বছরের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় মোহাম্মদপুরের আইটি জেড স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র রাকিব হাসান সেন্ট জোসেফ স্কুলের সামনে গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাঁকে শেরে বাংলা নগরের নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত সাড়ে ৮টায় তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনার পর, গত ২২ সেপ্টেম্বর নিহত রাকিবের চাচা মো. নুরুল আমিন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৮৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় কামরুল ইসলাম ১০ নম্বর এবং শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ১১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি।
গত বছরের ১৮ নভেম্বর রাজধানীর উত্তরা-১২ নম্বর সেক্টর থেকে অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামকে এবং ২৪ আগস্ট সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার দনা সীমান্ত এলাকা থেকে ভারতে পালানোর সময় বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে আটক করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরপর তাঁদের বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে একাধিকবার রিমান্ডে নেওয়া হয়।
খবরওয়ালা/আরডি



