খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ১২ মে ২০২৫
সরকারি চাকরিতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের সমান সুযোগ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের সরকারি চাকরিতে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়েও ভাবছে মন্ত্রণালয়।
সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটাপদ্ধতি প্রয়োগের বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সুপারিশ দিতে গত ২৫ মার্চ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে ১১ সদস্যের একটি কমিটি করে সরকার। এই কমিটি তাদের সুপারিশ প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে। তবে সুপারিশ চূড়ান্ত না হওয়ায় কমিটির কোনো সদস্যই নাম প্রকাশ করে কথা বলতে রাজি হননি।
কমিটির একজন সদস্য বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের বাইরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাস করা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের বিষয়টি তাঁরা সরকারি চাকরিতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটা প্রয়োগের ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত করে দেবেন। কোটায় সরকারি চাকরিতে নিয়োগের জন্য পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের প্রত্যয়নপত্র দেন সার্কেল প্রধান। সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের এই সনদ নিতে হবে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছ থেকে। তাঁরা এই সনদ পাওয়ার পদ্ধতি সহজ করার সুপারিশ করবেন। পাশাপাশি পিছিয়ে পড়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের চাকরিতে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে কমিটি সরকারকে পরামর্শ দেবে।
সূত্র জানায়, সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষকে প্রত্যয়নপত্র দেওয়ার আগে ইউএনওর কাছে প্রতিবেদন চান ডিসি। ইউএনও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই করেন। এ প্রক্রিয়া শেষ করতে অনেক সময় লাগে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর একজন বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বাররা অনেক সময় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নন, এমন ব্যক্তিকেও অনৈতিকভাবে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হিসেবে সনদ দিতে সুপারিশ করে ইউএনওর কাছে প্রতিবেদন দেন। এই প্রতিবেদনের আলোকে কেউ কেউ সনদ নিয়ে চাকরিও পেয়েছেন।
খবরওয়ালা/এফএস