গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের তারাপুর ইউনিয়নে ঘগোয়া খালের ওপর নির্মিত একটি সেতু ছয় মাস আগে কাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় তা ব্যবহার অযোগ্য হয়ে পড়ে আছে।
ফলে কয়েকটি গ্রামের মানুষের নিত্য যাতায়াত, শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া ও জরুরি সেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় স্থানীয় চেয়ারম্যান-মেম্বার ও গ্রামবাসী মিলে বাঁশের সাঁকো বসিয়ে অস্থায়ী পারাপারের ব্যবস্থা করেছেন। সেই সাঁকো দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন পার হচ্ছে শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ। অনেক সময় শিক্ষার্থীদের বই-খাতা পানিতে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যানবাহন বা রোগী পরিবহণ এখন সম্পূর্ণ অচল।
স্থানীয়রা জানান, কয়েকটি স্কুল, মাদ্রাসা ও বাজারে যাতায়াতের একমাত্র ভরসা ছিল এই সেতুটি। কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এটি এখন ‘প্রতীকী ব্রিজে’ পরিণত হয়েছে।
ইউপি সদস্য মজনু মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সংযোগ সড়ক না থাকায় মানুষ দুর্ভোগে আছে। বারবার অনুরোধ করলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি ঠিকাদার।
ঠিকাদার নুর মওলা জানান, শিগগিরই সংযোগ সড়কের কাজ শুরু হবে। তবে প্রকল্পের বরাদ্দ নিয়ে কিছু বলতে পারেননি তিনি।
ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বলেন, সেতুর কাজ শেষ হওয়ার পর থেকে ঠিকাদারের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। তাই বাধ্য হয়ে বাঁশের সাঁকো বসিয়ে পারাপারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজ কুমার বিশ্বাস বলেন, “এখন বিষয়টি জানলাম। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
খবরওয়ালা/আশ



