জাসদ ছাত্রলীগের নেতা মুনির, তপন ও জুয়েলের ৩৭তম হত্যাবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে নগরীর বঙ্গবন্ধু এভিনিয়ে শহীদ কর্নেল তাহের মিলনায়তনে এ হত্যাবার্ষিকী পালন করা হয়।
১৯৮৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর এরশাদের সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলন চলাকালে প্রকাশ্যে নৃসংশভাবে সিলেটের জাসদ ছাত্রলীগের নেতা মুনির-ই-কিবরিয়া চৌধুরী, তপন জ্যোতি দে এবং এনামুল হক জুয়েলেক হত্যা করা হয়। তাদের স্মরণেই এ স্মরসভা আয়োজিত হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, ৭১-এর নরঘাতক জামাত-শিবির চক্র এরশাদের সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলন চলাকালে প্রকাশ্যে নৃসংশভাবে তৎকালীন ছাত্রলীগের(জাসদ) সিলেট জেলার নেতা মুনির-ই-কিবরিয়া চৌধুরী, তপন জ্যোতি দে এবং এনামুল হক জুয়েলেক হত্যা করে। সিলেটের মুনির-তপন-জুয়েলের খুনিরা এখন রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের অপচেষ্টা লিপ্ত রয়েছে। তারা বলেন, মুনির-তপন-জুয়েল হত্যাকারী জামাত-শিবিরের খুনিদের অপরাধ তামাদি হয়নি।
জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা শফিউদ্দিন মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মির্জা মো: আনোয়ারুল হক, জাসদের কোষাধ্যক্ষ মো: মনির হোসেন, দফতর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন, সহ-সম্পাদক আলী হাসান তরুন, জাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কাজী সাইমুল হক, সামছুল ইসলাম সুমন, জাসদ নেতা সরদার হুমায়ুন কবির, জাতীয় কৃষক জোট নেতা রতন কুমার দাস, শ্রমিক জোটের সাংগঠনিক সম্পাদক কনক বর্মন, জাতীয় যুব জোটের সহ-সভাপতি শুভংকর দে বাপ্পা, সোহেল আহমেদ, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আহসান হাবিব শামীম, যুব জোটের সাংগঠনিক শরফউদ্দিন সোহেল, সহ-দপ্তর সম্পাদক ইমান আহমেদ সোহেল, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ(জাসদ)সভাপতি রাশিদুল হক ননী, সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান আজিজ জনি, সহ-সম্পাদক নাঈম মল্লিক প্রমূখ এ সময় বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা আরও বলেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী পাকিস্তানপন্থী রাজাকার-আলবদর-জঙ্গীবাদী-ধর্মান্ধ গোষ্ঠী রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে মুক্তিযুদ্ধে তাদের পরাজয়ে প্রতিশোধ নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তারা বলেন, পাকিস্তানপন্থী এ অপশক্তি স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের অগ্রসেনা, মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ লিবারেশন ফ্রন্ট-বিএলএফ(মুজিব বাহিনী) ১০ হাজার প্রশিক্ষিত যোদ্ধার ক্যাম্প কমান্ডেন্ট, জাসদ সভাপতি জননেতা হাসানুল হক ইনু-কে বিচারিক হত্যার নীলনকশা বাস্তবায়ন করতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশ বাঁচাতে অবৈধ ক্ষমতা দখলদার সরকারকে বিদায় করে সাংবিধানিক সরকারের অধীনে অবাধ, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠান নিশ্চিত করতে হবে।
বক্তারা পাকিস্তানপন্থীদের রাষ্ট্র ও রাজনীতি থেকে বিদায় করে বাংলাদেশকে বাঁচাতে এবং জাসদ সভাপতি জননেতা হাসানুল হক ইনু, জাসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহিল কাইয়ূম, জননেতা রাশেদ খান মেনন, সাংবাদিক লেখক শাহরিয়ার কবির, অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. আবুল বারাকাত সহ রাজবন্দিদের মুক্ত করার জন্য ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তোলার আহ্বান জানান।



