রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব বলেছেন, ‘আমি বলব, আপনি যদি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কালি লাগানো মাত্র ঘষাঘষি না করেন, একটু শুকানোর সময় দেন, কালি উঠবে না, ইনশাআল্লাহ।’
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে ভোটারদের আঙুলের কালি মুছে যাওয়ার অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এর আগে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, ভোটের পর যে কালি ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটি অমোচনীয় নয় এবং সহজেই মুছে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক এফ নজরুল ইসলাম বলেন, কালি প্রধান কোনো সমস্যা নয়। তার ভাষায়, ‘আমরা এই কালি ব্যবহার করছি, কারণ এটি ডাকসু ও জাকসু নির্বাচনেও ব্যবহৃত হয়েছে। যদি কেউ কালি লাগানোর পর সঙ্গে সঙ্গে পানি বা কোনো রাসায়নিক দিয়ে ঘষে, তবে এটি মুছে যেতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছি, যার মধ্যে রয়েছে ভোটারদের নাম ও ছবি সরকারি তালিকার সঙ্গে যাচাই। তাই ভুয়া বা একাধিক ভোট দেওয়ার কোনো ঝুঁকি নেই।’
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল ৯টায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়টি একাডেমিক ভবনের ১৭টি কেন্দ্রে স্থাপিত ৯৯০টি বুথে। ভোট গ্রহণ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
খবরওয়ালা/শরিফ



