সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা তিন দফা দাবিতে টানা কর্মবিরতি পালন করছেন, যার ফলে সারা দেশের সাড়ে ৬৫ হাজার বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যত বন্ধ রয়েছে। আগামী সোমবার (১ ডিসেম্বর) থেকে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও দাবি আদায় না হলে পরীক্ষায় অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।
শিক্ষক নেতারা জানিয়েছেন, আজ রাতের মধ্যে সরকার কার্যকর সিদ্ধান্ত না দিলে সোমবারের বার্ষিক পরীক্ষা বর্জন করা হবে।
শনিবার প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের এক বিবৃতিতে বলা হয়, অর্থ মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় আশ্বাস পাওয়ার পরও ১৮ দিন পেরিয়ে গেছে। তিন দফা দাবির মধ্যে বিশেষ করে ১১তম গ্রেডের প্রজ্ঞাপন জারি ও অন্যান্য দাবিতে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।
বিবৃতিতে বলা হয়, ২৭ নভেম্বর সারা দেশে সহকর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করেছেন। শহীদ ফাতেমার আত্মত্যাগ ও দুই শতাধিক সহকর্মীর রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না।
দাবিগুলো হলো—সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১০ম গ্রেডে উন্নীতকরণ, ১০ ও ১৬ বছরের চাকরিতে উচ্চতর গ্রেডে জটিলতা নিরসন এবং সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি।
২৭ নভেম্বর কর্মবিরতি প্রত্যাহারের অনুরোধে ডিপিইর মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি পরীক্ষা বর্জন না করার আহ্বান জানান। তবে শিক্ষকরা জানান, দাবি পূরণের নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
খবরওয়ালা/টিএসএন



