জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং (সি অ্যান্ড এফ) এজেন্ট লাইসেন্সিং সংক্রান্ত নতুন বিধিমালা, “সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা, ২০২৬” জারি করেছে। বুধবার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন বিধিমালার মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে আমদানি ও রপ্তানিকারকগণের জন্য সেবার মান উন্নয়ন এবং কাস্টমস কার্যক্রমকে সহজতর করা লক্ষ্য করা হয়েছে।
এর আগে, সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট লাইসেন্স প্রদান কার্যক্রম “কাস্টমস এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা, ২০২০” মোতাবেক পরিচালিত হতো। এনবিআর জানায়, পূর্বে কোনো স্বতন্ত্র বিধিমালা না থাকায় লাইসেন্স প্রদান প্রক্রিয়ায় সীমাবদ্ধতা ছিল। নতুন বিধিমালার মাধ্যমে এটি যুগোপযোগী এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় রূপান্তরিত হয়েছে।
এনবিআরের মতে, নতুন বিধিমালার মূল বিষয়সমূহ নিম্নরূপ:
| বিষয় | বিস্তারিত ব্যাখ্যা |
|---|---|
| লাইসেন্স প্রদান প্রক্রিয়া | পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল প্রার্থী সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট লাইসেন্স গ্রহণ করতে পারবেন; পূর্বানুমোদনের প্রয়োজন নেই। |
| বার্ষিক পরীক্ষা | নিয়মিত পরীক্ষা গ্রহণ করে লাইসেন্স প্রদান প্রক্রিয়া প্রতি বছর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হবে। |
| কাস্টমস স্টেশন পরিবর্তন | কোনো স্থল কাস্টমস স্টেশন বন্ধ হলেও পূর্বে ইস্যুকৃত লাইসেন্স বাতিল হবে না। |
| কার্যক্রম বিস্তার | অধিক্ষেত্র সংযোজনের মাধ্যমে লাইসেন্সধারী অন্য সচল কাস্টমস স্টেশনে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন। |
| উদ্দেশ্য | সেবা মান বৃদ্ধি, কার্যক্রমের সহজীকরণ ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ সৃষ্টি। |
এনবিআর আরও জানিয়েছে, কাস্টমস আইন, ২০২৩ অনুসরণে এই বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। এটি কেবল লাইসেন্স প্রদান প্রক্রিয়াকেই সহজ করবে না, বরং কাস্টমস এজেন্টদের জন্য কার্যক্রম পরিচালনার স্বাধীনতাও নিশ্চিত করবে। নতুন বিধিমালায় লাইসেন্সপ্রাপ্তরা বিভিন্ন কাস্টমস স্টেশনে ক্লিয়ারিং এবং ফরোয়ার্ডিং কার্যক্রম নির্বিঘ্নে পরিচালনা করতে পারবেন, যা পূর্বের বিধিমালার তুলনায় আরও সুবিন্যস্ত ও কার্যকর।
নতুন বিধিমালা কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট লাইসেন্সিং প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে এবং আমদানি-রপ্তানি খাতের জন্য আরও দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য সেবা নিশ্চিত হবে।



