আসন্ন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) সামনে রেখে বেশ পরিকল্পিতভাবেই দল সাজিয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের সঙ্গে তরুণদের মেলবন্ধনে গড়া এই দল ইতোমধ্যেই অনুশীলন শুরু করেছে, চলছে ম্যাচ পরিস্থিতির প্রস্তুতি ও দলগত সমন্বয়ের কাজ। তবে টুর্নামেন্ট শুরু হতে আর বেশি সময় না থাকলেও এখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর মেলেনি—কে হবেন রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের অধিনায়ক? এই প্রশ্নে সরাসরি কোনো নাম না জানালেও দলটির প্রধান কোচ হান্নান সরকার ইঙ্গিত দিয়েছেন, নেতৃত্বের দৌড়ে রাজশাহীর সামনে বিকল্পের অভাব নেই। বরং একাধিক যোগ্য ক্রিকেটার থাকায় সিদ্ধান্ত নেওয়াটা কিছুটা সময়সাপেক্ষ হয়ে উঠেছে। অধিনায়কত্ব প্রসঙ্গে হান্নান সরকার বলেন, “আমাদের দলে একাধিক ভালো ক্যান্ডিডেট আছে। মুশফিক আছে, শান্ত আছে, এমনকি আকবরও আছে। প্রত্যেকেই প্রমাণিত অধিনায়ক। তাই বলা যায়, নেতৃত্বের জায়গায় আমাদের একটা মধুর সমস্যা তৈরি হয়েছে। খুব শিগগিরই সবাই জানতে পারবেন কে হচ্ছেন রাজশাহীর অধিনায়ক।” এই মন্তব্যে স্পষ্ট, অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম, তরুণ নেতৃত্বগুণে সমৃদ্ধ শান্ত এবং দায়িত্বশীল আকবর—এই তিনজনই আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন। দল পরিচালনা, চাপ সামলানো এবং মাঠে কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রত্যেকেরই আলাদা শক্তি রয়েছে। এদিকে, উইকেটরক্ষকের দায়িত্ব কার হাতে থাকবে, সে বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিয়েছেন কোচ। তাঁর মতে, দলগত সমন্বয়ের দিক থেকে মুশফিকুর রহিম কিছুটা এগিয়ে। হান্নান সরকারের ভাষায়, “মুশফিক কিপিংটা খুব উপভোগ করে। উইকেটের পেছনে থাকলে সে খেলায় আরও বেশি সম্পৃক্ত থাকে। একজন অভিজ্ঞ কিপার থাকলে অধিনায়কের জন্য বোলিং পরিবর্তন, ফিল্ড সেট করা এবং খেলোয়াড়দের সামলানো অনেক সহজ হয়। যদি অন্য কেউ অধিনায়ক হয়, তাহলেও মুশফিক তার অভিজ্ঞতা দিয়ে দলকে গাইড করবে।” অর্থাৎ অধিনায়ক যেই হোন, মাঠে রাজশাহীর সিদ্ধান্ত গ্রহণে মুশফিকের ভূমিকা যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে, তা কার্যত নিশ্চিত। অন্যদিকে, বিপিএলের দ্বাদশ আসরের উদ্বোধনী ম্যাচের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে বিপিএল কর্তৃপক্ষ ও বিসিবি। আগে ঘোষণা অনুযায়ী ২৬ ডিসেম্বর সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে স্বাগতিক সিলেট টাইটান্স ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ম্যাচ দিয়ে দুপুর ২টায় টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতার কারণে সেই সময়সূচি সংশোধন করা হয়েছে। বিসিবির প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথম ম্যাচ এখন শুরু হবে বিকেল ৩টায়। একই দিনে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ম্যাচের সময়ও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। উদ্বোধনী দিনের পরিবর্তিত সময়সূচি : ম্যাচ সেশন সময় সিলেট টাইটান্স বনাম রাজশাহী ওয়ারিয়র্স প্রথম সেশন বিকেল ৩:০০ – ৪:৩০ …
তিনবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়ন কলকাতা নাইট রাইডার্স (KKR) ২০২৬ সালের আইপিএলের আগে দলকে আরও শক্তিশালী করতে আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত মিনি নিলামে মোট ১৩ জন ক্রিকেটার দলে নিয়েছে। শাহরুখ খানের মালিকানাধীন এই ফ্র্যাঞ্চাইজিটি নিলামে বিশেষ দৃষ্টিগোচর হয়েছে আন্তর্জাতিক তারকাদের দলে নেওয়ার মাধ্যমে। নিলামের সবচেয়ে আলোচিত খবর ছিল অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার ক্যামেরুন গ্রিনকে ২৫ কোটি টাকায় দলে নেওয়া। পাশাপাশি শ্রীলঙ্কার ফাস্ট বোলার মাথিশা পাথিরানা দলে এসেছে ১৮ কোটি টাকায়, আর বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে দলে নেওয়া হয়েছে ৯ কোটিরও বেশি টাকায়। এই নতুন সংযোজনগুলো কলকাতার বোলিং ও ব্যাটিং ইউনিটকে আরও শক্তিশালী করবে। গ্রিন, পাথিরানা ও মুস্তাফিজের সঙ্গে টিম সাইফার্ট, ফিন অ্যালেন, রাচিন রবীন্দ্রের মতো ক্রিকেটাররা KKR-এর জন্য ২০২৬ সালের আইপিএলে গুরুত্বপূর্ণ ভরসা হয়ে উঠবেন। নিলামের পর ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো সম্ভাব্য একাদশ প্রকাশ করেছে, যেখানে মুস্তাফিজকে রাখা হয়েছে প্রধান পেসার হিসেবে। KKR-এর সম্ভাব্য একাদশে ফিন অ্যালেন বা টিম সাইফার্ট–এর মধ্যে একজন উইকেটকিপার হিসেবে খেলবেন। দলের অভিজ্ঞ স্পিনার সুনীল নারাইন, যিনি তিনবার আইপিএলের এমভিপি হয়েছেন, ওপেনিং ব্যাটার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসের পাশাপাশি ১৯০-এর বেশি উইকেট নিয়েছেন। গত বছর দলটির অধিনায়ক ছিলেন অজিঙ্কা রাহানে। যদি তিনি ২০২৬-এ নেতৃত্বে থাকেন, তিনে ব্যাট করার সম্ভাবনা বেশি। মিডল অর্ডারে থাকবেন ক্যামেরুন গ্রিন (৪), রিঙ্কু সিং (৫), রামনদীপ সিং (৬)। বোলিং আক্রমণের মূল দায়িত্বে থাকবেন হর্ষিত রানা ও বৈভব অরোরা, যাদের সাথে থাকবেন মুস্তাফিজ ও পাথিরানা। স্পিন বিভাগ দায়িত্বে থাকবেন বরুণ চক্রবর্তী। দলের ব্যাকআপ পেসার হিসেবে রয়েছেন আকাশ দীপ, উমরান মালিক, কার্তিক ত্যাগী, আর ব্যাকআপ ব্যাটার হিসেবে আছেন অংক্রিশ রঘুবংশী, মনীশ পাণ্ডে, রাহুল ত্রিপাঠী। KKR ২০২৬: সম্ভাব্য একাদশ পজিশন ক্রিকেটার ১ অজিঙ্কা রাহানে ২ সুনীল নারাইন ৩ (উইকেটকিপার)…
সৌদি আরব সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে খেলোয়াড় এবং কোচ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। খবরটি ক্রিকবাজের মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট…
অস্ট্রেলিয়া তাদের অভিজাত অ্যাশেস সিরিজের জয় নিশ্চিত করল, যখন তারা এডিলেড ওভালে অনুষ্ঠিত তৃতীয় টেস্টে ইংল্যান্ডকে ৮২ রানে পরাজিত করে…
অ্যাডিলেড টেস্টের পঞ্চম দিনে ক্রিকেটপ্রেমীদের মনোযোগ চরমে। ম্যাচের ফলাফল কি অস্ট্রেলিয়ার জয় নিশ্চিত করবে, নাকি ইংল্যান্ড আবার ম্যাচে ফিরে আসবে—এই…
দরজায় কড়া নাড়ছে বিপিএলের দ্বাদশ আসর। দেশের সবচেয়ে বড় ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আগামী ২৬ ডিসেম্বর মাঠে গড়াবে। তার আগে ক্রিকেটপ্রেমীদের…
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সম্প্রতি দেশের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার-এর কার্যালয়ে সংঘটিত সহিংস হামলা, ভাঙচুর ও…
চলমান অ্যাশেজ সিরিজে এখন পর্যন্ত একচেটিয়া আধিপত্য দেখিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম দুই টেস্টে সহজ জয়ে সিরিজে এগিয়ে থাকা স্বাগতিকরা অ্যাডিলেড টেস্টেও জয় থেকে মাত্র কয়েক ধাপ দূরে। তবে ইংল্যান্ডের জন্য এক স্বস্তির খবর হলো, এই সিরিজে প্রথমবারের মতো কোনো টেস্ট পূর্ণ পাঁচ দিন ধরে গড়িয়েছে। অ্যাডিলেড ওভালে তৃতীয় টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে ইংল্যান্ড তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে করেছে ৬ উইকেটে ২০৭ রান। জয়ের জন্য শেষ দিনে প্রয়োজন আরও ২২৮ রান, হাতে মাত্র চারটি উইকেট। ইতিহাস বলে, এমন লক্ষ্য তাড়া করে জেতা প্রায় অলৌকিক। বিশেষ করে অ্যাডিলেডের চতুর্থ ইনিংসে এত বড় রান তাড়া করে জেতার কোনো নজির নেই। ফলে ইংল্যান্ডের সামনে দাঁড়িয়ে আছে সত্যিকারের বিশ্বরেকর্ড গড়ার চ্যালেঞ্জ। তবু আগের দুই ম্যাচের তুলনায় এটুকুই ইংল্যান্ডের অগ্রগতি। প্রথম টেস্টে মাত্র দুই দিনেই, দ্বিতীয় টেস্টে চার দিনের মাথায় হেরে গিয়েছিল তারা। তাই এবার পঞ্চম দিনের লড়াই—হারনিশ্চিত হলেও, মানসিক স্বস্তি এবং মনোবল ফেরানোর রসদ হতে পারে। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়া যদি এই ম্যাচ জিততে পারে, তবে বাকি দুই টেস্ট না খেলেই তারা অ্যাশেজ ও ঐতিহাসিক ছাইদানি নিজেদের করবে। চতুর্থ দিনের শুরুতে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ২৭১ রান নিয়ে ব্যাট করতে নামে অস্ট্রেলিয়া। আগের দিনের অবিচ্ছিন্ন জুটি ট্রাভিস হেড ও অ্যালেক্স কেয়ারি আরও ৪০ রান যোগ করে ইংল্যান্ডের হতাশা বাড়ান। হেড খেলেন এক কথায় বিধ্বংসী ইনিংস—১৬ চার ও ২ ছক্কায় ১৭০ রান। অন্যপ্রান্তে কেয়ারি ৬ চারের সাহায্যে গুরুত্বপূর্ণ ৭২ রান যোগকরেন। নিচের সারির ব্যাটাররা বড় অবদান রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় শেষ ছয় উইকেট মাত্র ৩৮ রানে হারায় অস্ট্রেলিয়া। তাদের ইনিংস থামে ৩৪৯ রানে। ইংল্যান্ডের হয়ে জশ টাং নেন সর্বোচ্চ ৪ উইকেট, ব্রাইডন কারস শিকার করেন ৩টি। ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু হতাশাজনক। দ্বিতীয় ওভারেই বেন ডাকেট ফেরেন, কিছুক্ষণ পর অলি পোপ আউট। তৃতীয় উইকেটে জ্যাক ক্রলি ও জো রুট ৭৮ রান যোগ করেন। তবে নতুন স্পেলে প্যাট কামিন্স এই জুটি ভেঙে দেন। ক্রলি পরে হ্যারি ব্রুকের সঙ্গে ৬৮ রানের জুটি গড়ে ইনিংস টানেন। ১০২ বলে ফিফটি পূর্ণ করতে গিয়ে তিনি নাথান লায়নের স্পেলেই ব্যর্থ হন। লায়ন প্রথম ১০ ওভারে খরুচে বোলিং করলেও পরের ৫ ওভারে মাত্র ৮ রান দিয়ে তুলে নেন ৩ উইকেট। ব্রুক বোল্ড, স্টোকস অফ স্টাম্প আউট, ক্রলিকেও স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলেন। শেষ পর্যন্ত কেয়ারির ১৫১ বলের ৮৫ রান শেষ হয় তার কারণে। দিনশেষে জেমি স্মিথ ও উইল জ্যাকস আর কোনো বিপদ ঘটতে দেননি। ইংল্যান্ডের ভরসা কেবল অলৌকিক কিছু, আর অস্ট্রেলিয়ার সামনে হাতছানি দিচ্ছে অ্যাশেজ নিশ্চিত করার সুবর্ণ সুযোগ। গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান (চতুর্থ দিন শেষে) বিষয় তথ্য অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংস ৩৪৯ রান ট্রাভিস হেড ১৭০ রান (১৬ চার, ২ ছক্কা) অ্যালেক্স কেয়ারি ৭২ রান জশ টাং ৪ উইকেট…
আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে ২৫ সদস্যের প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি)। দলে নতুন করে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার দাসুন শানাকাকে।এসময় নজর কাড়ছে চারিথ আসালাঙ্কাকেঅধিনায়ক পদ থেকে সরিয়ে রাখা। ২০২৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার ব্যর্থতার পর হাসারাঙ্গা ডি সিলভা নেতৃত্ব ছাড়েন। এরপর গত বছরের জুলাইয়ে আসালাঙ্কা দায়িত্ব গ্রহণ করেন। কিন্তু অধিনায়কত্বে তার সাফল্য বিশেষ কিছু ছিল না। আসালাঙ্কার নেতৃত্বে শ্রীলঙ্কা ২৫ টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মধ্যে ১১টিতে জয় এবং ১২টিতে হারের স্বাদ পায়। দ্বিপাক্ষিক সিরিজে ভারতের, নিউজিল্যান্ডের, বাংলাদেশের এবং পাকিস্তানের কাছে শ্রীলঙ্কার হার দর্শকের মনে হতাশা তৈরি করেছে। পাশাপাশি, গত এশিয়া কাপের ফাইনালেও লঙ্কানরা উঠতে পারেনি। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের ক্ষেত্রেও আসালাঙ্কা হতাশাজনক ছিলেন। ২৫ ম্যাচে ২৩ ইনিংসে ব্যাট করে তিনি মাত্র ১৯.৩৬ গড়ে ৩৬৮ রান সংগ্রহ করেন, স্ট্রাইক রেট ১৩৫। এই কারণে ভবিষ্যৎ বিশ্বকাপ পরিকল্পনায় তাকে রাখা হয়নি। এর বিপরীতে, দাসুন শানাকা-এর নেতৃত্বে শ্রীলঙ্কা আগে ৫৩ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ২৪ জয় এবং ২৭ হারের সমন্বয় দেখিয়েছে। তাই অভিজ্ঞতা ও স্থিতিশীলতার জন্য বিশ্বকাপের দায়িত্ব তার কাঁধে দেওয়া হয়েছে। বিশ্বকাপের জন্য শ্রীলঙ্কার প্রাথমিক দলটি নিম্নরূপ: সিরিয়াল খেলোয়াড়ের নাম ভূমিকা ১ দাসুন শানাকা অধিনায়ক ২ পাথুম নিশাঙ্কা ব্যাটসম্যান ৩ কুশল মেন্ডিস ব্যাটসম্যান ৪ কামিল মিশারা অলরাউন্ডার…
তিলক ভর্মা ও হার্দিক পাণ্ডিয়ার ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৩০ রানে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ৩–১ব্যবধানে নিজেদের করে নিল ভারত। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে রানের পাহাড় তুলতে তুলতে দর্শকরা উপভোগ করেছেন আধুনিক টি-টোয়েন্টির এক উজ্জ্বল প্রদর্শনী। ভারত প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ক্রিকেট খেলতে শুরু করে। ওপেনাররা দ্রুত ফাউন্ডেশন গড়ে তুললে মিডল অর্ডারে ঝড় তোলেন তিলক ভর্মা ও হার্দিক পাণ্ডিয়া। দুজনের ১০৫ রানের বিধ্বংসী জুটি ভারতের স্কোরকে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৩১ রানে পৌঁছে দেয়। তিলক ভর্মা ৭৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন, আর হার্দিক পাণ্ডিয়া মাত্র ১৬ বলেই ৬৩ রানের ঝলমলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন, যা ভারতের হয়ে দ্বিতীয় দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের মধ্যে করবিন বোশ তিনটি উইকেট নিলেও ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের আগ্রাসন থামাতে পারেননি কেউই। শেষদিকে শিভম দুবের সংক্ষিপ্ত কিন্তু কার্যকর ইনিংসে ভারত আরও দ্রুত রান সংগ্রহ করে। লক্ষ্য তাড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকা শুরুটা দারুণভাবে করে। কুইন্টন ডি কক মাত্র ৩৫ বলে ৬৫ রানের ঝড়ো ইনিংসে পাওয়ারপ্লেতেই ম্যাচে উত্তাপ ছড়ান। এক সময়ে স্কোর দাঁড়ায় ১২০/১, জয়ের আশা তখনও প্রোটিয়ারদের মধ্যে জাগিয়ে রেখেছিল। কিন্তু পানীয় বিরতির পর ম্যাচের ধারা পুরোপুরি বদলে দেন জাসপ্রিত বুমরাহ। ডি কককে নিজের হাতে ক্যাচে ফেরত পাঠানোর পর মাত্র দুই ওভারের মধ্যে আরও চারটি উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। হার্দিক পাণ্ডিয়া ও বরুণ চক্রবর্তীর নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সফরকারীদের ব্যাটিং ধসে যায়। বরুণ চক্রবর্তী চার উইকেট নিলেও শেষ ওভারে কিছু রান হজম করেন। শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস থামে ৮ উইকেটে ২০১ রানে। ফলে ৩০ রানের জয় নিশ্চিত করে ভারত এবং সিরিজ নিজেদের ঝুলিতে তোলে। সংক্ষিপ্ত স্কোর: দল রান/উইকেট প্রধান ব্যাটসম্যান ভারত ২৩১/৫ (২০ ওভার) তিলক ভর্মা ৭৩, হার্দিক পাণ্ডিয়া ৬৩ দক্ষিণ আফ্রিকা ২০১/৮ (২০ ওভার) কুইন্টন ডি কক ৬৫ ফলাফল ভারত ৩০ রানে জয়ী…