ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) পুরোনো কমিটি বিলুপ্ত করে ১৮টি হলে নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার পর স্যার এ এফ রহমান হলের নেতৃত্বে এসেছেন ফেরদৌস সিদ্দিক সায়মন এবং মো. মাহদীজ্জামান জ্যোতি। দুইজনই এ এফ রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।
আহ্বায়ক পদে থাকা ফেরদৌস সিদ্দিক সায়মন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানিজ স্টাডিজের ১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী। অন্যদিকে সদস্য সচিব জ্যোতি নৃবিজ্ঞান বিভাগে ২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থী।
আহ্বায়ক ফেরদৌস সিদ্দিক সায়মন বলেন, দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের পর আজকে আমরা এই জায়গায়। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ আদর্শ ধারণ করে কিশোর বয়স থেকে রাজপথে সংগ্রাম শুরু করেছিলাম। তাই দল থেকে মূল্যায়ন করা হয়েছে বলে আনন্দিত।
আমরা একটা উদার গণতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্র বিনির্মাণের জন্য সংগ্রাম জারি রাখবো। হল দখল, আধিপত্যের রাজনীতির বিপরীতে সহনশীল, শ্রদ্ধার ছাত্র রাজনীতি করবো বলে শিক্ষার্থীদের সাথে আমরা কমিটেড। এই কমিটমেন্ট বজায় রেখে শিক্ষার্থীদের যে কোনো অধিকার আদায়ে সবসময় সম্মুখ সারিতে থাকবো।
সদস্য সচিব মাহদীজ্জামান জ্যোতি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নবগঠিত হল কমিটিতে স্যার এ এফ রহমান হল ছাত্রদলের ‘সদস্য সচিব’ হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে কৃতজ্ঞ, গর্বিত এবং দায়বদ্ধ।
আমাদের রাজনীতি কখনও শিক্ষার্থীদের বিপরীতে গিয়ে হবে না, যা আমরা আমাদের ছাত্র সমাবেশ থেকে ৯ দফা দাবি প্রকাশের মাধ্যমে তুলে ধরেছি। শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর হবে আমাদের রাজনীতির প্রতিপাদ্য।
এই কমিটিতে সিনিয়র-যুগ্ম আহ্বায়ক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. মেহেদী হাসান মুন্না।
খবরওয়ালা/এমইউ



