রাজশাহীর পবা উপজেলায় কৃষিকাজ করতে গিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে ইদ্রিস আলী (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে উপজেলার দাধপুর ইউনিয়নের বাগিচাপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, তাঁর ভাতিজা আফজাল হোসেন হাঁসুয়া দিয়ে তাঁকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরে হাসপাতালে রাজশাহীতে হাঁসুয়ার কোপে চাচা নিহত, ভাতিজা আটক
রাজশাহীর পবা উপজেলায় কৃষিকাজ করতে গিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে ইদ্রিস আলী (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে উপজেলার দাধপুর ইউনিয়নের বাগিচাপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, তাঁর ভাতিজা আফজাল হোসেন হাঁসুয়া দিয়ে তাঁকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ইদ্রিস আলীর মৃত্যু হয়।
নিহত ইদ্রিস আলী দাধপুরের বাগিচাপাড়া এলাকার সৈয়দ মন্ডলের ছেলে। ঘটনার পর পুলিশ আফজাল হোসেনকে আটক করেছে। তিনিও সংঘর্ষের সময় আহত হন এবং পুলিশ হেফাজতে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহত ইদ্রিস আলীর মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে ইদ্রিস আলী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা মাঠে কৃষিকাজ করতে যান। সেখানে বাবা ও ছেলের সামনে বিড়ি খাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে ইদ্রিস আলীর সঙ্গে তাঁর ছেলের বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ইদ্রিসের ভাতিজা আফজাল হোসেন তাঁর চাচাতো ভাইয়ের পক্ষ নেন। এ নিয়ে উত্তেজনা বাড়তে থাকলে পরিস্থিতি হাতাহাতি ও হামলার দিকে গড়ায় বলে জানা গেছে।
একপর্যায়ে আফজাল হোসেন হাঁসুয়া দিয়ে ইদ্রিস আলীর শরীরের উরুতে আঘাত করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তাঁর উরুতে গুরুতর জখম হয় এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। ঘটনাস্থলে থাকা স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের দিকে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হলে পুলিশ সেখানে যায় এবং অভিযুক্ত আফজাল হোসেনকে আটক করে। তিনিও আহত হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে পুলিশি নজরদারিতে তাঁর চিকিৎসা চলছে।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (মিডিয়া) মো. গাজিউর রহমান জানান, ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিও আহত হয়েছেন। তিনি পুলিশ হেফাজতে হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
হত্যাকাণ্ডের পেছনে পারিবারিক বিরোধের প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সময় কে কীভাবে হামলায় জড়িত ছিলেন, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মামলার পর তদন্তের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সামান্য একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিরোধ দ্রুত সহিংসতায় রূপ নেওয়ায় ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। কৃষিকাজের মতো সাধারণ একটি পারিবারিক পরিবেশে এমন প্রাণঘাতী সংঘর্ষ কীভাবে তৈরি হলো, তা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। পুলিশ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য নেওয়ার পাশাপাশি হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও অন্যান্য আলামত সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছে।নেওয়ার পথে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ইদ্রিস আলীর মৃত্যু হয়।
নিহত ইদ্রিস আলী দাধপুরের বাগিচাপাড়া এলাকার সৈয়দ মন্ডলের ছেলে। ঘটনার পর পুলিশ আফজাল হোসেনকে আটক করেছে। তিনিও সংঘর্ষের সময় আহত হন এবং পুলিশ হেফাজতে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহত ইদ্রিস আলীর মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে ইদ্রিস আলী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা মাঠে কৃষিকাজ করতে যান। সেখানে বাবা ও ছেলের সামনে বিড়ি খাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে ইদ্রিস আলীর সঙ্গে তাঁর ছেলের বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ইদ্রিসের ভাতিজা আফজাল হোসেন তাঁর চাচাতো ভাইয়ের পক্ষ নেন। এ নিয়ে উত্তেজনা বাড়তে থাকলে পরিস্থিতি হাতাহাতি ও হামলার দিকে গড়ায় বলে জানা গেছে।
একপর্যায়ে আফজাল হোসেন হাঁসুয়া দিয়ে ইদ্রিস আলীর শরীরের উরুতে আঘাত করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তাঁর উরুতে গুরুতর জখম হয় এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। ঘটনাস্থলে থাকা স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের দিকে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হলে পুলিশ সেখানে যায় এবং অভিযুক্ত আফজাল হোসেনকে আটক করে। তিনিও আহত হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে পুলিশি নজরদারিতে তাঁর চিকিৎসা চলছে।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (মিডিয়া) মো. গাজিউর রহমান জানান, ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিও আহত হয়েছেন। তিনি পুলিশ হেফাজতে হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
হত্যাকাণ্ডের পেছনে পারিবারিক বিরোধের প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সময় কে কীভাবে হামলায় জড়িত ছিলেন, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মামলার পর তদন্তের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সামান্য একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিরোধ দ্রুত সহিংসতায় রূপ নেওয়ায় ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। কৃষিকাজের মতো সাধারণ একটি পারিবারিক পরিবেশে এমন প্রাণঘাতী সংঘর্ষ কীভাবে তৈরি হলো, তা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। পুলিশ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য নেওয়ার পাশাপাশি হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও অন্যান্য আলামত সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছে।


