খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 21শে চৈত্র ১৪৩১ | ৪ই এপ্রিল ২০২৫ | 1149 Dhu al-Hijjah 5
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে ৭ দিনে যমুনা সেতুতে টোল আদায় হয়েছে ১৯ কোটি ১৩ লাখ ৭৯ হাজার ৮৫০ টাকা।
এদিকে সেতু দিয়ে গত সাতদিনে বাসের চেয়ে হালকা যানবাহন বেশি পারাপার হয়েছে। সব চেয়ে কম পারাপার হয়েছে মোটরসাইকেল। যমুনা সেতু দিয়ে মোটরসাইকেল ৩৫ হাজার ৮৭৭টি, হালকা যানবাহন ৮১ হাজার ৪৭৭, বাস ৬৩ হাজার ৭৬১ এবং ট্রাক ৪৯ হাজার ৮৮১টি পারাপার হয়েছে।
যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, ২৪ মার্চ যমুনা সেতু দিয়ে ২৪ হাজার ৯৭টি যানবাহন পারাপার হয়। এর মধ্যে মোটরসাইকেল ১ হাজার ১৬৩টি, হালকা যানবাহন ৬ হাজার ৫৪৭, বাস ৪ হাজার ৬৩৫ এবং ট্রাক ১১ হাজার ৭৫২টি।
২৫ মার্চ ২৯ হাজার ২৩৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এরমধ্যে মোটরসাইকেল ২ হাজার ৩৭৪টি, হালকা যানবাহন ৮ হাজার ৬৩৯, বাস ৬ হাজার ৫০৯ এবং ট্রাক ১১ হাজার ৭১১টি সেতু পারাপার হয়েছে।
পরেরদিন ২৬ মার্চ সেতু দিয়ে ৩৩ হাজার ৭৬৬টি যানবাহন পারাপার হয়। এরমধ্যে মোটরসাইকেল ৩ হাজার ৮৬৭টি, হালকা যানবাহন ১০ হাজার ৫১৬, বাস ৮ হাজার ৩৩ এবং ১১ হাজার ৩৫০টি ট্রাক সেতু পারাপার হয়েছে।
২৭ মার্চ সেতু দিয়ে ৩৫ হাজার ২২৭টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এরমধ্যে মোটরসাইকেল ৬ হাজার ১৯৫টি, হালকা যানবাহন ১১ হাজার ২০৪, বাস ৮ হাজার ১৬ এবং ট্রাক ৯ হাজার ৮১২টি সেতু পারাপার হয়েছে।
২৮ মার্চ সেতু দিয়ে ৪৮ হাজার ৩৩৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এরমধ্যে মোটরসাইকেল ৯ হাজার ১৬৩টি, হালকা যানবাহন ১৭ হাজার ২৭১, বাস ১২ হাজার ৬৭৫ এবং ট্রাক ৯ হাজার ২২৬টি সেতু পারাপার হয়েছে।
২৯ মার্চ যমুনা সেতু দিয়ে ৪৫ হাজার ৪৭৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এরমধ্যে মোটরসাইকেল ৮ হাজার ১৩৭টি, হালকা যানবাহন ১৬ হাজার ৯৪, বাস ১৩ হাজার ৫০৬ এবং ট্রাক ৭ হাজার ৭৪১টি সেতু পারাপার হয়েছে।
৩০ মার্চ ঈদের আগের দিন যমুনা সেতু দিয়ে ৩১ হাজার ৪৬৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এরমধ্যে মোটরসাইকেল ৪ হাজার ৯৭৮টি, হালকা যানবাহন ১১ হাজার ২০৬, বাস ১০ হাজার ৩৮৭ এবং ট্রাক ৪ হাজার ৮৯৪টি সেতু পারাপার হয়েছে।
এ বিষয়ে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল বলেন, ঈদযাত্রায় সেতুর দুই পাশে ১৮টি বুথ দিয়ে যানবাহন চলাচল করে। এরমধ্যে দুই পাশেই দুটি করে মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা বুথ করা হয়। প্রতিবছর ঈদে এ মহাসড়ক দিয়ে উত্তরবঙ্গের লাখ লাখ মানুষ যাতায়াত করেন।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, মহাসড়কে যানজট নিরসনে পুলিশের প্রায় সাড়ে ৭শ সদস্য কাজ করেন। মহাসড়কে ৪ সেক্টর ভাগ করে ২৪ ঘণ্টাই পুলিশ সদস্য কাজ করেছেন।
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক। রাজধানী ঢাকার সঙ্গে সড়ক পথে উত্তরবঙ্গের একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম এ মহাসড়ক। এ সড়ক দিয়ে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের ২৪টি জেলার যানবাহন চলাচল করে।
খবরওয়ালা/এমইউ