ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় ছাত্রলীগের দুই কলেজ শাখার নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৯ আগস্ট) রাতে উপজেলার পৃথক দুটি এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে গভীর রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় তাঁদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন কসবা টি. আলী কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সায়মুন চৌধুরী (৩১) এবং চারগাছ এন.আই. ভূঁইয়া ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. আজমির হক (৩২)।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সায়মুন চৌধুরী কসবা উপজেলার শাহপুর গ্রামের মৃত আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে। অন্যদিকে আজমির হক চারগাছ গ্রামের মো. আনোয়ার হোসেনের ছেলে।
পুলিশ সূত্র জানায়, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কসবা টি. আলী মোড় এলাকায় অভিযান চালানো হয়। ওই অভিযানে চারগাছ এন.আই. ভূঁইয়া ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আজমির হককে গ্রেপ্তার করা হয়।
এরপর রাত ৮টা ৩৫ মিনিটের দিকে কসবা নতুন বাজার এলাকায় আরেকটি অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। সেখানে কসবা টি. আলী কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সায়মুন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
দুই নেতাকে পৃথক সময়ে গ্রেপ্তারের বিষয়টি শনিবার গভীর রাতে জেলা পুলিশের গণমাধ্যম বার্তায় জানানো হয়। তবে তাঁদের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ রয়েছে কিংবা কোন মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশের ওই বার্তায় বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। তাঁদের গ্রেপ্তারের পর পরবর্তী আইনি কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট অভিযোগ ও মামলার নথির ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত পৃথক অভিযানে একই রাতে ওই দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তাঁদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বিস্তারিত প্রকাশ না হওয়ায় গ্রেপ্তারের কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে আরও তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় কসবা উপজেলায় ছাত্রলীগের সংশ্লিষ্ট দুই কলেজ শাখার নেতাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে পুলিশি তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগের প্রকৃতি সম্পর্কে চূড়ান্ত কোনো মন্তব্য করা যাচ্ছে না।



