মমতাজির বিল্লাহ সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গোলাম ফারুকের ছেলে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) জানিয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ ওই মেসে যায়। পরে সেখান থেকে মমতাজির বিল্লাহ ও ওই তরুণীকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
কেএমপির উপকমিশনার সুদর্শন রায় বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দুজনকে থানায় নেওয়া হয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।
তবে ঠিক কী অভিযোগ বা সন্দেহের ভিত্তিতে তাঁদের আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত জানানো হয়নি। তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো লিখিত অভিযোগ রয়েছে কি না, কিংবা জিজ্ঞাসাবাদে কী তথ্য পাওয়া গেছে, তা-ও স্পষ্ট নয়।
আটক তরুণীর পরিচয় এবং মমতাজির বিল্লাহর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের বিষয়েও পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি। একই সঙ্গে তাঁদের মেসে অবস্থানের কারণ বা ঘটনার পেছনের পরিস্থিতি সম্পর্কেও বিস্তারিত জানা যায়নি।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা তৈরি হলেও এখন পর্যন্ত পুলিশের বক্তব্যের বাইরে অতিরিক্ত কোনো তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে আটকের কারণ ও সংশ্লিষ্ট অভিযোগের প্রকৃতি সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।
আইনগতভাবে কাউকে আটক করা এবং তাঁর বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হওয়া এক বিষয় নয়। তদন্তে পাওয়া তথ্য ও প্রযোজ্য আইনি প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারিত হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে দুজনের বিরুদ্ধে কোনো নির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে কি না, তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হবে নাকি অন্য কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী বক্তব্যের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হতে পারে।


