খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
গাব্বা টেস্টের আগের দিন অস্ট্রেলিয়া দলে অনিশ্চয়তার মাত্রা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে সমর্থকরা বুঝতেই পারছেন না আসলে কী ঘটছে। প্যাট কামিন্স কি সত্যিই ফিরছেন? নাকি পুরো ব্যাপারটাই ইংল্যান্ডকে ভুল পথে চালানোর কৌশল?
স্মিথকে যখন প্রশ্ন করা হয়—কামিন্স ফিরলে তিনি কি নেতৃত্বে থাকবেন—তিনি বলেন, “আমি তা মনে করি না।” তার এমন মন্তব্যের পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বদলে গেছে।
অস্ট্রেলিয়া কোচিং স্টাফ ও নির্বাচকদের আচরণ সপ্তাহজুড়ে রহস্যময়। কামিন্স প্রথমে স্কোয়াডে ছিলেন না, তবে নেটে তার বল করার ভিডিও দেখে নির্বাচকরা নিশ্চিত সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। সোমবার তিনি নেটে দুই দফা বল করেছেন, মঙ্গলবার সম্পূর্ণ রানে বল করতে পারেন—এমন ইঙ্গিতও পাওয়া যায়।
পিচ পর্যবেক্ষণ করতে গিয়ে নির্বাচকরা দেখেছেন—ঘাস এখনও প্রচুর, তাই পেসারদের জন্য এটি স্বর্গ হতে পারে। সেই বিষয়টি বিবেচনায় এনে কামিন্সকে ফেরানোর ভাবনা আরও প্রবল হয়।
এদিকে নেটে বোল্যান্ড বলেন—“কামিন্স সত্যিই ভয়ঙ্কর ফর্মে আছে।” স্মিথ যোগ করেন—নেট আর ম্যাচের চাপ আলাদা, তাই শেষ সিদ্ধান্ত নেবে কামিন্স নিজে ও মেডিক্যাল টিম।
যদি কামিন্স খেলেন, তবে নাথান লায়নকে বাদ দেওয়ার সম্ভাবনা খুবই আলোচিত। লায়ন সাম্প্রতিক পিঙ্ক-বল ম্যাচগুলোতে খুব কম বোলিং করেছেন। তবে গাব্বায় তার রেকর্ড দুর্দান্ত—এটাই তাকে দল থেকে বাদ দেওয়ার পথে সবচেয়ে বড় বাধা।
ব্যাটিং অর্ডারে জশ ইংলিসের জায়গা পাওয়া প্রায় নিশ্চিত। তিনি গত কয়েক মাসে পেস বোলিংয়ের বিপক্ষে দুর্দান্ত ফর্ম দেখিয়েছেন। ট্রাভিস হেড ওপেনিংয়ে থাকলে মধ্যক্রম হবে আরও শক্তিশালী।
শেষ পর্যন্ত সব রহস্যের সমাধান হবে শুধুমাত্র এক সময়—কাল টসের মুহূর্তে। কে আসবেন টস করতে? স্মিথ নাকি কামিন্স? আর কামিন্স খেললে কাকে বাদ দেওয়া হবে?
ক্রিকেটবিশ্ব অপেক্ষায়—এই রহস্যময় নাটকের পর্দা কখন উঠবে।