খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
ভারত–দক্ষিণ আফ্রিকা ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগেই দুই দলই ইনজুরিতে বিপর্যস্ত। ভারতের গিল ও শ্রেয়াস আইয়ার ছিটকে গেছেন, আর দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান অস্ত্র রাবাদাও নেই। ফলে দুই দলই সমান অনিশ্চয়তা নিয়ে মাঠে নামছে, আর এর ফলে সিরিজটি আরও অনির্দেশ্য হয়ে উঠেছে।
টেস্ট সিরিজে বাজে পারফরম্যান্সের পর ভারত এখন আত্মরক্ষার মোডে। কোহলি–রোহিতকে নিয়ে প্রশ্ন বাড়ছে—তারা কি ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারবেন? ক্রিকেটের স্বাভাবিক নিয়মে বয়স তাদের খেলায় প্রভাব ফেলবেই, ফলে ভারতের পরিকল্পনায় বড় পরিবর্তন আনার সময় এসে গেছে।
অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা এখনই গতি ও ব্যাটিং শক্তি দিয়ে এগিয়ে। ব্রিটজকে, বাভুমা, মার্করামের মতো ইন–ফর্ম ব্যাটাররা তাদের শক্তিশালী করে তুলেছে। তিন ম্যাচের সিরিজ হলেও প্রতিটি ম্যাচের গুরুত্ব অনেক, কারণ দুই দলই পরিবর্তনের পথে।
ভারতের চিন্তার জায়গা হলো তাদের একাদশ। জয়সওয়াল ওপেনিংয়ে উঠবেন, কিন্তু তাঁর সঙ্গে কাকে রাখা হবে? গায়কওয়াড় ও পন্ত—দুজনেরই অবস্থান অনিশ্চিত। আবার অলরাউন্ডার হিসেবেও ভারসাম্য খুঁজতে হবে। নিতিশ রেড্ডিকে খেলানো হবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন।
রাঁচির পিচ আবার ধীর। এখানে স্পিনাররা রাজ করবে বলেই আশা করা যায়। দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য কেশব মহারাজ হতে পারেন বড় ফ্যাক্টর।
পরিসংখ্যান বলছে—২০০৬ সাল থেকে দুই দল দশটি ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে, আর স্কোরলাইন ৫–৫। অর্থাৎ দু’দলই সমান সমান। এবারও সিরিজ অতি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে বলেই ধারণা।
ভারত নিজের হার ভুলে নতুন করে শুরু করতে চাইবে, আর দক্ষিণ আফ্রিকা চাইবে তাদের আধিপত্য ধরে রাখতে। তিন ম্যাচই হতে যাচ্ছে উচ্চ চাপের, তীব্র উত্তেজনাপূর্ণ লড়াই।