খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
পুনের মাভাল এলাকায় এক জমি ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত বিতর্কে বলিউড অভিনেত্রী সোনালি বেন্দ্রে ও তাঁর স্বামী গোল্ডি বহেলের নাম জড়িয়েছে। স্থানীয় চাষি চন্দ্রকান্ত শিন্ডে অভিযোগ করেছেন, প্রায় ৩০ গুণ্ঠা জমি নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে জালিয়াতি এবং নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি বর্তমানে ভাদগাঁও মাভাল দেওয়ানি আদালতে বিচারাধীন।
চন্দ্রকান্ত শিন্ডের দাবি, ১৯৫৭ সাল থেকে তার পরিবারের এই জমিতে বৈধ অধিকার রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, গোল্ডি বহেল ওই জমি নিজের নামে রেজিস্ট্রি করার চেষ্টা করেছেন, যা চাষির পরিবারের অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করেছে। প্রায় ৩২,০০০ বর্গফুট এলাকায় জোরপূর্বক বেআইনি নির্মাণের চেষ্টা এবং পরিবারের সদস্যদের ভয় দেখানোর অভিযোগও করা হয়েছে। পুলিশের দ্বারস্থ হলেও অভিযোগের কোনো সমাধান না হওয়ায় চাষি আদালতের সহায়তা নেন।
অভিযোগের বিষয়বস্তু এবং জমির প্রকৃত মালিকানা যাচাই করতে প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে। আদালত আগামী ২০ এপ্রিল মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে। দুই পক্ষের যুক্তি শোনার পর আদালতের রায়ই চূড়ান্তভাবে পরিস্থিতি নির্ধারণ করবে।
সোনালি বেন্দ্রে এবং তাঁর আইনজীবী সব অভিযোগ স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, সরকারি নথি বা জমি কেনাবেচার কাগজে অভিনেত্রীর নাম নেই। আইনজীবী আরও জানিয়েছেন, অভিযোগকারী চাষি আগে তহশিলদার এবং মহকুমা শাসকের কাছে একাধিকবার আবেদন করেছিলেন, কিন্তু প্রতিবারও আবেদন খারিজ করা হয়েছিল।
এ বিষয়ে একটি সংক্ষিপ্ত তথ্যসারণি নিচে দেওয়া হলো:
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| অভিযোগকারীর নাম | চন্দ্রকান্ত শিন্ডে |
| অভিযুক্ত | সোনালি বেন্দ্রে, গোল্ডি বহেল ও আরও দুই ব্যক্তি |
| জমির আকার | প্রায় ৩০ গুণ্ঠা (৩২,০০০ বর্গফুট) |
| অভিযোগের ধরন | জমি কারচুপি, বেআইনি নির্মাণ, ভয় দেখানো |
| মামলা স্থান | ভাদগাঁও মাভাল দেওয়ানি আদালত, পুনে |
| আদালতের শুনানি | ২০ এপ্রিল, ২০২৬ |
| প্রাথমিক পদক্ষেপ | প্রশাসন দ্বারা জমির মালিকানা যাচাই |
বক্তৃতা এবং বৈধ নথি যাচাইয়ের পর আদালতের রায় চূড়ান্ত হবে। এই মামলাটি বলিউড অভিনেত্রী ও স্থানীয় চাষির মধ্যে জমির মালিকানা এবং আইনগত অধিকার নিয়ে তৈরি জটিল পরিস্থিতির একটি উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মামলার পরবর্তী শুনানি-এর দিকে সবাই নজর রাখছে, কারণ এটি সোনালি বেন্দ্রে এবং তার স্বামীর ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে, যদি আদালত চাষির পক্ষকে সমর্থন করে। আদালতের রায় এবং প্রশাসনিক তদন্ত শেষ হওয়ার পরই চূড়ান্ত ছবি স্পষ্ট হবে।
এই ঘটনার মাধ্যমে পুনের মাভাল এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও আইনগত জটিলতার গুরুত্ব পুনরায় সামনে এসেছে।