খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশ: ১৯ই আগস্ট ২০২৫, ৯:২০ পিএম
জাহাজ থেকে পড়ে নিখোঁজের একদিন পর নবাব খান অ্যান্ড কোম্পানির সুপারভাইজার আনোয়ার আজম খানের মরদেহ উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দুপুর দুইটার দিকে বঙ্গোপসাগরের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে রবিবার (১৭ আগস্ট) রাতে জাহাজ থেকে নামতে গিয়ে সাগরে পড়ে নিখোঁজ হন তিনি। আনোয়ার আজম খান নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার রাজারামপুর গ্রামের নুরুল হক খানের ছেলে।
কোস্টগার্ড পূর্ব জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট শাকিব মেহবুব জানান, সকালে আনোয়ার আজম খানের মহদেহ বঙ্গোপসাগরে ভাসছে এমন একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেটি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে ওই এলাকায় অনুসন্ধান চালানো হয়। কিন্তু খোঁজ মিলেনি। অনুসন্ধানের এক পর্যায়ে বঙ্গোপসাগরের পতেঙ্গা এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। স্বজনদের মরদেহ শনাক্তের পর হস্তান্তরের জন্য আইনী প্রক্রিয়া চলছে।
এর আগে জাহাজটির ক্রেন অপারেটর আব্দুল মোতালেব জানান, পানামার পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজ এমভি অ্যামস্টেল স্টর্ক চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পণ্য খালাস করছিল। রবিবার রাতে আনোয়ার আজম খান জাহাজে কাজ শেষ করে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় পা পিছলে সাগরে পড়ে নিখোঁজ হন। তারা তাৎক্ষণিক বিষয়টি কোস্ট গার্ডকে জানান। এরপর থেকে কোস্টগার্ড তার খোঁজে বঙ্গোপসাগরে তল্লাশি চালিয়ে আসছিল।
তবে জাহাজের কর্মচারীরা জানিয়েছেন, জাহাজ থেকে নামার সিঁড়িটি রশি ও অ্যালুমিনিয়ামের হওয়ার কারণে বাতাসে এগুলো দোলে। নামতে গিয়ে বাতাসের জন্য সিঁড়ি থেকে ছিটকে পড়েন তিনি। কাঠের সিঁড়ি হলে এই দুর্ঘটনা হতো না বলে দাবি তাদের।
এছাড়া স্টিভিডোর কোম্পানি কোন ধরণের লাইফ জ্যাকেটসহ সেফটি গিয়ার সরবরাহ না করায় পণ্য উঠানো-নামানোর কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন বলে অভিযোগ তাদের।
খবরওয়ালা/এসআর
মন্তব্য