খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ২১ই জুলাই ২০২৬, ২:৪১ পিএম
দীর্ঘ আট বছরের অপেক্ষার প্রহর শেষে আবারো ফিরছে দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবলের সবচেয়ে বড় এবং মর্যাদাপূর্ণ লড়াই। আন্তর্জাতিক ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের (সাফ) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ‘সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’-এর আয়োজক দেশ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ। আগামী ৪ নভেম্বর থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত রাজধানী ঢাকায় বসবে আঞ্চলিক ফুটবলের এই জমকালো আসর।
দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে এই টুর্নামেন্ট ঘিরে সবসময়ই থাকে আলাদা উন্মাদনা। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কাসহ সাফের অন্তর্ভুক্ত সব সদস্য দেশই এই টুর্নামেন্টে অংশ নেবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ শেষ হওয়ার পরপরই সাফের এই সিদ্ধান্ত আঞ্চলিক ফুটবলে নতুন উদ্দীপনার জোয়ার এনে দিয়েছে।
টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতিও শুরু হতে যাচ্ছে খুব দ্রুতই। আগামী ২৫ জুলাই ঢাকায় এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সাফের অফিশিয়াল লোগো উন্মোচন করা হবে। এরপর ১ আগস্ট ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে অনুষ্ঠিত হবে টুর্নামেন্টের ড্র, যেখানে নির্ধারিত হবে কোন দল কোন গ্রুপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের মহাসচিব পুরুষোত্তম কাটেল এ বিষয়ে গভীর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, বহু বছর ধরে সাফের এই আয়োজন এ অঞ্চলের ক্রীড়াপ্রেমীদের অসংখ্য স্মরणीय ও রোমাঞ্চকর মুহূর্ত উপহার দিয়েছে। বাংলাদেশে ফুটবল নিয়ে দর্শকদের যে দারুণ উন্মাদনা রয়েছে, তাতে স্বাগতিক হিসেবে ঢাকা সেরা পছন্দ। স্বাগতিক বাংলাদেশ এবার খেলোয়াড় ও সমর্থকদের জন্য এক অবিস্মরণীয় টুর্নামেন্ট উপহার দেবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
২০২৬ সালের এই টুর্নামেন্টটি হতে যাচ্ছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ১৫তম সংস্করণ। এর আগে সর্বশেষ ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সাফের স্বাগতিক হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিল। এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ আটটি বছর। নিজস্ব মাঠে প্রিয় জাতীয় দলকে নতুন করে শিরোপার লড়াইয়ে দেখার সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় দেশের ফুটবল অঙ্গনে এখন উৎসবের মেজাজ বিরাজ করছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সময়সূচি ও টিকিট সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করবে সাফ কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য