খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫
যশোরের সিঙ্গিয়া রেলস্টেশনে বিদ্যুৎ বিভাগের উদ্যোগে সব ফ্যান খুলে নেওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীসাধারণ ও রেলকর্মীরা। রেলওয়ের বিদ্যুৎ ও পরিবহন বিভাগের পারস্পরিক সমন্বয়হীনতা এবং দায় এড়ানোর প্রবণতায় এমন ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
গত শনিবার (তারিখ উল্লেখ নেই) স্টেশন ভবনের যাত্রী বিশ্রামাগার, টিকিট কাউন্টার ও কর্মকর্তাদের কক্ষ থেকে সব মিলিয়ে অন্তত ২০টি ফ্যান এবং একটি এসির বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন করে নিয়ে যায় রেলওয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিভাগটির সিনিয়র উপ-সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জাকির হোসেন।
ঘটনার পর থেকে স্টেশন এলাকায় ভীষণ গরমে দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। বিশ্রামাগারে স্বস্তির আশায় বসা যাত্রীরা গরমে হাঁসফাঁস করছেন। একইভাবে স্টেশন মাস্টার, সহকারী স্টেশন মাস্টার ও টিকিট কাউন্টারে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদেরও দুর্বিষহ অবস্থার মধ্যে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পদ্মা সেতু রেলসংযোগ চালু হওয়ার পর সিঙ্গিয়া স্টেশনের গুরুত্ব বেড়েছে। নতুন ভবনও নির্মিত হয়েছে। তবে এখনো সেখানে জিআরপি বা রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর কোনো ইউনিট নেই। ফলে যেকোনো সরঞ্জাম স্থানান্তরে নিয়ন্ত্রণহীন অবস্থা বিরাজ করছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, সরঞ্জাম বুঝে নেওয়ার জন্য স্টেশন মাস্টার কেএম রিয়াদ হাসানকে বলা হয়েছিল। কিন্তু তিনি দায়িত্ব না থাকায় তা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান। পরে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা নিজেরাই এসে সব ফ্যান খুলে নিয়ে যান।
ঘটনার পর স্টেশন মাস্টার কেএম রিয়াদ হাসান পাকশীর বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা হাসিনা খাতুন বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। হাসিনা খাতুনও বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে অভিযুক্ত কর্মকর্তা জাকির হোসেনের মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তার স্ত্রী ফোন রিসিভ করে জানান, তিনি অসুস্থ, কথা বলতে পারবেন না।
খবরওয়ালা/এমএজেড