খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 24শে ভাদ্র ১৪৩২ | ৮ই সেপ্টেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হকের মাথায় আঘাতজনিত কারণে কোনো ধরনের ‘শর্ট মেমোরি লস’ হয়নি। ভবিষ্যতেও তাঁর স্মৃতিশক্তি হারানোর আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) বেলা একটার দিকে ঢামেক হাসপাতালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘নুরুল হকের নাকের হাড় ভেঙে যাওয়ায় মাঝেমধ্যে রক্তপাত হচ্ছে। এটি সেরে উঠতে চার থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগবে। তাঁর চোখে জমাট রক্তও কেটে গেছে। পরিবার চাইলে তাঁকে বিদেশে নিয়ে যেতে পারে।’
পরিচালক আসাদুজ্জামান আরও জানান, নুরুল হকের জ্বর ও ঠান্ডার উপসর্গ রয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠানো হয়েছে। এটি ডেঙ্গু নাকি ভাইরাসজনিত জ্বর, রিপোর্ট এলে জানা যাবে।
গত ২৯ আগস্ট সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির (জাপা) কার্যালয়ের সামনে জাপা ও গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গণ অধিকার পরিষদের একটি মিছিল ওই সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় এ ঘটনা হয়। সংঘর্ষের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লাঠিপেটায় নুরুল হকসহ কয়েকজন আহত হন।
এ বিষয়ে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও কয়েকজন নেতা-কর্মী মব ভায়োলেন্সের মাধ্যমে পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করেন। তাঁরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর আক্রমণ চালান এবং রাত ৯টার দিকে মশালমিছিল বের করে সহিংসতা বাড়ান। এতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও অগ্নিসংযোগের চেষ্টা হয়। জননিরাপত্তা রক্ষার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়। এ ঘটনায় সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্য আহত হয়েছেন।
ঘটনার পর আহত নুরুল হককে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে উচ্চপর্যায়ের মেডিকেল বোর্ড তাঁর চিকিৎসা চালাচ্ছে। এদিকে তাঁর ওপর হামলার ঘটনা তদন্তে ইতিমধ্যেই একটি কমিশন গঠন করেছে সরকার।
খবরওয়ালা/এন