খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 23শে চৈত্র ১৪৩২ | ৬ই এপ্রিল ২০২৬ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
নন-লাইফ বীমা খাতে পুনর্বীমা চুক্তি নবায়ন সংক্রান্ত নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সাধারণ বীমা করপোরেশন (এসবিসি)। বীমা আইন অনুযায়ী, সব নন-লাইফ বীমা কোম্পানির জন্য পুনর্বীমা করা বাধ্যতামূলক। এছাড়া বীমা করপোরেশন আইন অনুসারে, পুনর্বীমাযোগ্য প্রিমিয়ামের অর্ধেক অর্থ সাধারণ বীমা করপোরেশনে পুনর্বীমা করার শর্ত রয়েছে।
এবার এসবিসি পুনর্বীমা চুক্তি নবায়নের জন্য পূর্বের বকেয়া প্রিমিয়ামের ৩০ শতাংশ পরিশোধের শর্ত দিয়েছে। অর্থাৎ বেসরকারি কোম্পানিগুলো এই ৩০ শতাংশ পরিশোধ করলে তাদের পুনর্বীমা চুক্তি কার্যকর হবে। অন্যথায় চুক্তি নবায়ন করা হবে না।
সঙ্গে, মেরিন কার্গো পলিসিতে প্রতিমাসে বর্ডো সাবমিট করার নির্দেশনা আরোপ করা হয়েছে।
বেসরকারি বীমা কোম্পানিগুলোর মালিকদের সংগঠন, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স এসোসিয়েশন (বিআইএ), জানিয়েছে যে বর্তমান ডলার সংকট, আন্তর্জাতিক যুদ্ধ ও তরলতার অভাবের কারণে অনেক কোম্পানি এখনই বকেয়া পরিশোধ করতে পারছে না।
এই পরিস্থিতিতে বিআইএ এসবিসিকে অনুরোধ করেছে, যেসব কোম্পানির পুনর্বীমা প্রিমিয়াম বকেয়া রয়েছে, তাদের জন্য প্রিমিয়াম নেওয়া ছাড়াই চুক্তি সম্পন্ন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এছাড়া চুক্তি সম্পন্ন করার সময়সীমা এক মাস বাড়ানোরও আহ্বান জানিয়েছে। বিআইএ আশা প্রকাশ করেছে যে, এসবিসির সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এই সংকট সমাধান করা সম্ভব হবে।
বিআইএ নন-লাইফ টেকনিক্যাল সাব-কমিটির সভা ডেকেছে। এই সভা আগামী সোমবার, ৬ এপ্রিল, সকাল ১১টায় বিআইএ কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হবে। সভায় বিআইএ প্রেসিডেন্ট সাঈদ আহমেদ উপস্থিত থাকবেন। মূল লক্ষ্য হলো এসবিসির সঙ্গে আলোচনা শুরুর আগে কোম্পানিগুলোর অভিন্ন অবস্থান নিশ্চিত করা।
নিচের টেবিলে পুনর্বীমা চুক্তি নবায়ন সংক্রান্ত প্রধান শর্তগুলো দেখানো হলো:
| বিষয় | শর্ত |
|---|---|
| বকেয়া প্রিমিয়াম পরিশোধ | পূর্বের বকেয়া প্রিমিয়ামের ৩০% পরিশোধ বাধ্যতামূলক |
| মেরিন কার্গো পলিসি | প্রতিমাসে বর্ডো সাবমিট বাধ্যতামূলক |
| চুক্তি সময়সীমা | ১ মাস বৃদ্ধি সম্ভাব্য |
| প্রিমিয়াম ছাড়ের অনুরোধ | বকেয়া প্রিমিয়াম থাকলেও চুক্তি সম্পন্ন করার আহ্বান |
| সভা আয়োজন | নন-লাইফ টেকনিক্যাল সাব-কমিটি, ৬ এপ্রিল, সকাল ১১টা |
বিআইএ এবং এসবিসি উভয়ই আশা করছে যে পুনর্বীমা চুক্তি নবায়ন প্রক্রিয়া দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে। এর ফলে বীমা খাতের কার্যক্রম বিনা বিঘ্নে চলমান থাকবে এবং কোম্পানিগুলোর আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে।