খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 10শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ২২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের ১নং ওয়ার্ড বিএনপি কার্যালয় শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে অগ্নিকাণ্ডে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। স্থানীয়রা জানান, রাতের অন্ধকারে হঠাৎ কার্যালয়ের ভিতরে আগুন দেখা যায়। চেষ্টা সত্ত্বেও বাতাসের তীব্রতায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং অফিসের ভেতরে থাকা গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র, দলীয় ব্যানার, ফেস্টুন ও আসবাবপত্র সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়।
সাউথখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম লিটন ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, “রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে এই অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”
শরণখোলা থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাস্থলে রাতেই একটি পুলিশ দল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে। থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. শামিনুল হক বলেন, “অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষের লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
পুলিশ ও স্থানীয়দের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, আগুন deliberately (পরিকল্পিতভাবে) লেগেছে। তবে সঠিক কারণ এবং দোষীদের শনাক্তকরণে পুলিশ প্রয়োজনীয় তদন্ত অব্যাহত রেখেছে। স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা অথবা এলাকার ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত বিরোধের কারণে এই ঘটনা ঘটতে পারে।
নিচের টেবিলটি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতির সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরেছে:
| বিষয় | ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ |
|---|---|
| ঘটনা স্থান | সোনাতলা গ্রাম, ১নং ওয়ার্ড, সাউথখালী ইউনিয়ন, শরণখোলা, বাগেরহাট |
| ক্ষতিগ্রস্ত সম্পদ | অফিস আসবাবপত্র, দলীয় ব্যানার ও ফেস্টুন, গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র |
| ঘটনার সময় | রাত, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ |
| পুলিশি পদক্ষেপ | ঘটনাস্থল পরিদর্শন, আলামত সংগ্রহ, তদন্ত শুরু |
| স্থানীয় নেতার মন্তব্য | পরিকল্পিত রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির উদ্দেশ্য, দ্রুত দোষীদের শাস্তি দাবি |
এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে স্থানীয় রাজনৈতিক কার্যক্রমে সাময়িক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। ইউনিয়ন বিএনপির নেতা ও সদস্যরা ক্ষতিগ্রস্ত নথিপত্র ও দলীয় উপকরণ পুনঃস্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছেন।
শরণখোলা থানা পুলিশ ঘটনার তদন্তে জোর দিয়েছে এবং সম্ভাব্য সবাইকে গ্রেফতারের চেষ্টা করছে, যাতে ভবিষ্যতে এমন ধরণের অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধ করা যায়।