বিদেশি শিল্পীদের কনসার্ট আয়োজনে অনিশ্চয়তা, চাপে ঢাকার সংগীতাঙ্গন

আন্তর্জাতিক শিল্পীদের পরিবেশনায় সরগরম হয়ে ওঠে ঢাকার সংগীতাঙ্গন। বিশেষ করে ভারত ও পাকিস্তানের জনপ্রিয় গায়ক এবং ব্যান্ডের পরিবেশনা ঘিরে সংগীতপ্রেমীদের মধ্যে থাকে বাড়তি আগ্রহ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক কনসার্ট শেষ মুহূর্তে স্থগিত বা বাতিল হওয়ায় বিদেশি শিল্পীদের নিয়ে অনুষ্ঠান আয়োজনের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এতে অনিশ্চয়তায় পড়ছেন আয়োজক, দর্শক ও শিল্পীরা। একই সঙ্গে আর্থিক ঝুঁকি এবং অনুমোদন প্রক্রিয়ার জটিলতা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।

২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে নির্ধারিত তিনটি বড় কনসার্ট এই পরিস্থিতিকে আরও স্পষ্ট করেছে। ২৫ সেপ্টেম্বর পূর্বাচলের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে আয়োজনের কথা ছিল ‘মাহএক্স রিপাবলিক’ (mAhx Republic) নামের কনসার্ট। এতে পাকিস্তানের আলী আজমত, মোস্তফা জাহিদ ও জাল-এর পাশাপাশি বাংলাদেশের নগরবাউল জেমস, নেমেসিস, লেভেল ফাইভ ও শিরোনামহীনের পরিবেশনা করার কথা ছিল।

একই দিনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল ‘সেন্স ইট উইথ মুর্তজা কিজিলবাশ’ (Sense It with Murtaza Qizilbash)। এই আয়োজনে পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী মুর্তজা কিজিলবাশের সঙ্গে বাংলাদেশের হাবিব ওয়াহিদের পরিবেশনার পরিকল্পনা ছিল। পরদিন ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকায় মঞ্চে ওঠার কথা ছিল পাকিস্তানি ব্যান্ড কাভিশের। তাদের সঙ্গে পরিবেশনা করার কথা ছিল বাংলাদেশের শিরোনামহীন ও মেঘদলের। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনটি আয়োজনের কোনোটিই নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হয়নি।

আয়োজকদের বক্তব্য অনুযায়ী, নিরাপত্তাসংক্রান্ত উদ্বেগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা এবং চূড়ান্ত অনুমোদন পেতে বিলম্বের কারণে কনসার্টগুলো আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। ‘মাহএক্স রিপাবলিক’-এর সঙ্গে যুক্ত একজন আয়োজক জানান, শিল্পীদের সঙ্গে যোগাযোগ, প্রস্তুতি ও অগ্রিম অর্থ পরিশোধসহ প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় অনুমতি না পাওয়ায় অনুষ্ঠানটি স্থগিত করতে হয়।

কাভিশের কনসার্টের ঘটনা এ ক্ষেত্রে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। নিরাপত্তা ও অনুমোদনসংক্রান্ত জটিলতায় ঢাকার অনুষ্ঠানটি এর আগেও একবার পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। প্রায় ১০ মাস পর নতুন তারিখ নির্ধারণ করে আবার আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। আয়োজকদের দাবি, প্রস্তুতি ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পরও ২৬ সেপ্টেম্বরের অনুষ্ঠানটি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

একের পর এক এমন ঘটনায় কনসার্টের অনুমোদন পাওয়ার সময়সীমা, টিকিট বিক্রির উপযুক্ত সময় এবং আয়োজকদের আর্থিক দায়বদ্ধতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ, আন্তর্জাতিক শিল্পীদের নিয়ে অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হলে অনেক ক্ষেত্রেই চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার আগেই বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করতে হয়। শিল্পীদের অগ্রিম পারিশ্রমিক, ভেন্যু বুকিং, মঞ্চ নির্মাণ, শব্দ ও আলোকব্যবস্থা, প্রচার এবং টিকিট বিক্রির প্রস্তুতিতে ব্যয় হয় উল্লেখযোগ্য অর্থ।

একজন আয়োজকের ভাষ্য অনুযায়ী, অনুমোদন প্রক্রিয়ায় একাধিক সরকারি ও নিরাপত্তা সংস্থার সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) এবং ঢাকা মহানগর পুলিশ। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের প্রয়োজনীয়তা পূরণ এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকতে গিয়ে আয়োজকদের পরিকল্পনা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

এই অনিশ্চয়তার প্রভাব শুধু সেপ্টেম্বরের কনসার্টগুলোতেই সীমাবদ্ধ নয়। ২০২৫ সালের শেষ দিকেও বিদেশি শিল্পীদের কয়েকটি পরিবেশনা স্থগিত হয়েছিল। এসব আয়োজনের মধ্যে পাকিস্তানের আলী আজমত ও জাল এবং ভারতের গায়ক আনুভ জৈনের অনুষ্ঠানও ছিল। নিরাপত্তাসংক্রান্ত উদ্বেগ ও প্রশাসনিক জটিলতা তখনও কনসার্ট আয়োজনের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী আতিফ আসলামের বহুল প্রতীক্ষিত একটি কনসার্টও প্রথমে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে স্থানীয় পর্যায়ের প্রয়োজনীয় অনুমতি ও নিরাপত্তা ছাড়পত্র না পাওয়ায় অনুষ্ঠানটি বাতিল করতে হয়। আতিফ আসলাম নিজেও প্রকাশ্যে কনসার্ট বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন। তিনি জানান, আয়োজক ও কনসার্ট ব্যবস্থাপনা দল প্রয়োজনীয় অনুমোদন, ছাড়পত্র এবং আনুষঙ্গিক ব্যবস্থা সম্পন্ন করতে পারেনি।

পরবর্তী সময়ে ২০২৬ সালের জুলাইয়ে ঢাকার অন্য একটি ভেন্যুতে আতিফ আসলামের কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়। তবে ভেন্যু পরিবর্তন এবং সেখানে অতিরিক্ত ভিড় নিয়ে দর্শকদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। অনুষ্ঠানস্থলে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির অভিযোগও তোলেন কেউ কেউ। ফলে একটি কনসার্ট আয়োজনের ক্ষেত্রে শুধু অনুমতি পাওয়াই নয়, দর্শকদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করার বিষয়টিও সামনে আসে।

জুলাইয়ের ওই কনসার্টের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজকের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অনুমোদন পাওয়ার পর নির্ধারিত স্থান পরিবর্তন করাকে অনুমতির শর্ত লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কর্তৃপক্ষের মতে, এমন পরিবর্তন নিরাপত্তার উদ্বেগ তৈরি করতে পারে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট আয়োজককে কালোতালিকাভুক্ত করার সুপারিশও করা হয়েছিল।

বড় পরিসরের কনসার্টে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের—এ বিষয়টি অস্বীকার করার সুযোগ নেই। হাজারো দর্শকের সমাগম, আন্তর্জাতিক শিল্পী ও তাঁদের দলের নিরাপত্তা, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, জরুরি চিকিৎসাসেবা এবং সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা মোকাবিলার জন্য আগাম পরিকল্পনা জরুরি। কোনো আয়োজনের অনুমোদন দেওয়ার আগে এসব বিষয় যাচাই করাও প্রয়োজন। তবে নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা পূরণের পাশাপাশি সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময়সীমা স্পষ্ট না হলে আয়োজকদের জন্য পরিকল্পনা করা কঠিন হয়ে পড়ে।

অন্যদিকে, বারবার কনসার্ট স্থগিত হওয়ায় সবচেয়ে সরাসরি ভোগান্তিতে পড়েন দর্শকেরা। প্রিয় শিল্পীর পরিবেশনা দেখার আশায় অনেকে আগেভাগে টিকিট কেনেন। কেউ কেউ যাতায়াত, আবাসন কিংবা কর্মস্থল থেকে ছুটি নেওয়ার পরিকল্পনাও করেন। অনুষ্ঠান শেষ মুহূর্তে স্থগিত হলে এসব পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। টিকিটের অর্থ ফেরত পাওয়া যাবে কি না, নতুন তারিখে টিকিট কার্যকর থাকবে কি না—এসব প্রশ্নও দেখা দেয়।

কাভিশের কনসার্টের ক্ষেত্রে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, আগে কেনা টিকিট পুনর্নির্ধারিত অনুষ্ঠানে ব্যবহার করা যাবে। কিন্তু একাধিকবার তারিখ পরিবর্তনের অভিজ্ঞতার পর শুধু এমন আশ্বাস দর্শকদের আস্থা পুরোপুরি ফিরিয়ে আনতে পারে না। বিশেষ করে নতুন তারিখে দর্শকদের সবার পক্ষে উপস্থিত থাকা সম্ভব নাও হতে পারে।

বিদেশি শিল্পীদের জন্যও শেষ মুহূর্তের পরিবর্তন বড় ধরনের ব্যবস্থাপনাগত সমস্যা তৈরি করে। আন্তর্জাতিক সফরের ক্ষেত্রে সাধারণত বিমানযাত্রা, আবাসন, মহড়া, বাদ্যযন্ত্রী ও কারিগরি দলের সময়সূচি এবং প্রচার কার্যক্রম আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে। কনসার্ট হঠাৎ স্থগিত হলে এসব ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হয়। এতে বিদেশি শিল্পীদের পাশাপাশি স্থানীয় আয়োজকদেরও আর্থিক ক্ষতি ও অতিরিক্ত ব্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে অনুষ্ঠান করার বিষয়ে শিল্পী ও তাঁদের ব্যবস্থাপনা দলের আগ্রহও প্রভাবিত হতে পারে।

বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনের প্রতিনিধিরাও পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ব্যান্ড নেমেসিসের প্রধান ভোকাল জোহাদ রেজা চৌধুরীর মতে, এভাবে বারবার অনুষ্ঠান বাতিল বা স্থগিত হলে বিদেশি শিল্পী ও স্থানীয় দর্শকদের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হতে পারে। আন্তর্জাতিক শিল্পীদের আনা কঠিন হয়ে পড়লে দেশীয় শিল্পীদের নিয়ে কনসার্ট আয়োজন অব্যাহত রাখার ওপরও তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন।

‘সংগীত চলুক’—এই আহ্বানের মধ্য দিয়ে তিনি মূলত দেশের লাইভ মিউজিক সংস্কৃতি সচল রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন। বিদেশি শিল্পীদের পরিবেশনা আয়োজন করা সম্ভব না হলে দেশীয় ব্যান্ড ও সংগীতশিল্পীদের নিয়ে অনুষ্ঠান, সংগীত উৎসব কিংবা দেশি-বিদেশি শিল্পীদের সমন্বয়ে বিকল্প আয়োজন করা যেতে পারে। এতে স্থানীয় শিল্পীরা নতুন শ্রোতার কাছে পৌঁছানোর সুযোগ পাবেন এবং কনসার্ট আয়োজনের ধারাবাহিকতাও বজায় থাকবে।

তবে বিকল্প আয়োজন দিয়ে অনুমোদনসংক্রান্ত মূল সমস্যার সমাধান হবে না। আন্তর্জাতিক শিল্পীদের নিয়ে অনুষ্ঠান করতে হলে আয়োজকদের আগে থেকেই জানতে হবে, কোন কোন অনুমতি প্রয়োজন, কোন দপ্তরে আবেদন করতে হবে এবং কত দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত পাওয়া যেতে পারে। নিরাপত্তা নিয়ে কোনো আপত্তি থাকলে সেটি যথাসময়ে জানানোও গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া, অনুষ্ঠানসূচি পরিবর্তন করা কিংবা বড় অঙ্কের বিনিয়োগের আগে ঝুঁকি মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে।

ঢাকায় আন্তর্জাতিক সংগীত পরিবেশনার জন্য দর্শক, আয়োজক, টিকিট বিক্রির মাধ্যম এবং মঞ্চ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি প্রতিষ্ঠিত পরিসর রয়েছে। বিদেশি শিল্পীদের কনসার্ট এই সাংস্কৃতিক পরিবেশকে আরও সমৃদ্ধ করে। পাশাপাশি দেশীয় সংগীতশিল্পীদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক শিল্পীদের যৌথ পরিবেশনা নতুন সহযোগিতা ও সৃজনশীলতার সুযোগ তৈরি করে। কিন্তু আয়োজনের ঘোষণা দেওয়ার পর বারবার অনিশ্চয়তা তৈরি হলে এই সম্ভাবনা বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

এ ক্ষেত্রে স্বচ্ছ ও সময়নির্ধারিত অনুমোদনব্যবস্থা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, নিরাপত্তার শর্ত এবং অনুমোদনের ধাপগুলো স্পষ্টভাবে জানানো হলে আয়োজকেরা আগেই প্রস্তুতি নিতে পারবেন। একই সঙ্গে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সম্ভাব্য বিলম্ব বা নিরাপত্তাসংক্রান্ত আপত্তি থাকলে তা দ্রুত জানানো হলে শেষ মুহূর্তে অনুষ্ঠান বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিও কমবে। কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব অক্ষুণ্ন রেখেই এমন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।

ঢাকার সংগীতপ্রেমীদের কাছে একটি কনসার্ট শুধু বিনোদনের আয়োজন নয়; এটি প্রিয় শিল্পীকে সরাসরি দেখার, অন্য দর্শকদের সঙ্গে সংগীত উপভোগ করার এবং সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতার অংশ হওয়ার সুযোগ। সেই প্রত্যাশা থেকেই মানুষ আগাম টিকিট কেনেন এবং সময় ও অর্থ ব্যয় করেন। বারবার অনুষ্ঠান স্থগিত হলে কনসার্টের ঘোষণার ওপর তাঁদের আস্থা কমতে পারে। অনেকে ভবিষ্যতে আগাম টিকিট কিনতেও দ্বিধা করবেন। এর প্রভাব পড়তে পারে পুরো লাইভ মিউজিক শিল্পের ওপর।

ঢাকার সংগীতাঙ্গলকে এগিয়ে নিতে শুধু জনপ্রিয় বিদেশি শিল্পীদের আকৃষ্ট করাই যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন এমন একটি নির্ভরযোগ্য আয়োজনব্যবস্থা, যেখানে দর্শকের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, আয়োজকেরা সময়মতো সিদ্ধান্ত পাবেন এবং শিল্পীরা নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী পরিবেশনা করতে পারবেন। অনুমোদন প্রক্রিয়ায় পূর্বানুমেয়তা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠিত না হলে একই অনিশ্চয়তা বারবার ফিরে আসার আশঙ্কা থাকবে। আর তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে শুধু একটি কনসার্ট নয়, ঢাকার লাইভ সংগীতের প্রতি দর্শকদের দীর্ঘদিনের আগ্রহ ও আস্থাও।

Tags :

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বশেষ খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : এ বি এম জাকিরুল হক টিটন ।

খবরওয়ালা একটি বিশ্বস্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল, যেখানে বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও আপডেট প্রকাশ করা হয়। রাজনীতি, জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদ, শিক্ষা, খেলাধুলা, ব্যবসা, বিনোদন ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ খবর নিয়ে পাঠকদের জন্য রয়েছে নির্ভরযোগ্য ও সময়োপযোগী সংবাদ পরিবেশন।

© ২০২৬ খবরওয়ালা। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।