খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বর্তমান সময়ে উচ্চ কোলেস্টেরল একটি বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আগে এটি বয়স্কদের সমস্যা বলে মনে করা হলেও, এখন তরুণরাও এতে সমানভাবে আক্রান্ত হচ্ছে।
অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ভাজা-পোড়া ও তৈলাক্ত খাবারে আসক্তি, ধূমপান, মদ্যপান, অতিরিক্ত মানসিক চাপ এবং নিয়মিত ব্যায়ামের অভাব—সব মিলিয়ে কোলেস্টেরলের মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। অথচ এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণে না আনলে হৃদরোগসহ নানা ধরনের জটিলতা দেখা দিতে পারে।
চিকিৎসকদের মতে, ওষুধের পাশাপাশি সঠিক জীবনযাপন এবং খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনলে মাত্র এক মাসেই কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। আসুন, জেনে নিই সেই উপায়গুলো কী কী।
সুষম খাদ্য গ্রহণ আস্ত শস্য, প্রচুর শাক-সবজি এবং ফলমূল খাওয়া উচিত। শস্যে থাকা পুষ্টি এবং খনিজ পদার্থ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। তরমুজ, পেয়ারা, আপেল, কমলা, কলা ও পেঁপে নিয়মিত খেলে ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়।
ধূমপান ও মদ্যপান বর্জন ধূমপান কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে, তাই দ্রুত এই অভ্যাস ত্যাগ করা প্রয়োজন। যদি মদ্যপানের অভ্যাস থাকে, তবে তাও পরিহার করা উচিত।
নিয়মিত শরীরচর্চা বাড়িতে ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ, যোগব্যায়াম এবং হাঁটা কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক। প্রতিদিন সকালে কিছু সময় যোগাসন ও ধ্যানের জন্য বরাদ্দ রাখলে মানসিক চাপও কমে।
মানসিক চাপ কমানো অতিরিক্ত মানসিক চাপ শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল বাড়িয়ে তোলে। নিয়মিত ধ্যান, যোগব্যায়াম এবং পর্যাপ্ত ঘুম মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে। মনকে সতেজ রাখতে গান শোনা, বই পড়া কিংবা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোও উপকারী হতে পারে।
সারসংক্ষেপ কোলেস্টেরল কমানো একদিনের কাজ নয়, তবে জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনলে মাত্র ৩০ দিনেই ইতিবাচক ফল পাওয়া যেতে পারে। সুষম আহার, ধূমপান ও মদ্যপান থেকে বিরত থাকা, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখাই হলো কোলেস্টেরল কমানোর সহজ ও কার্যকর উপায়।
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা
খবরওয়ালা/টিএসএন