খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 7শে বৈশাখ ১৪৩২ | ২০ই এপ্রিল ২০২৫ | 1149 Dhu al-Hijjah 5
গত বছরের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে রাষ্ট্রীয় শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
রবিবার (২০ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনালে চলমান শুনানিতে তিনি এই অভিযোগ তুলে ধরেন। শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রসিকিউশন টিমকে।
প্রসিকিউটর জানান, তদন্ত কাজ এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার, পরিকল্পিত সহিংসতা, গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের সুনির্দিষ্ট সাক্ষ্য ও প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। তাঁর ভাষায়, ‘উপাত্ত বিশ্লেষণে পরিষ্কারভাবে বোঝা যাচ্ছে, অভিযুক্তরা জনগণের ওপর সহিংসতা চালাতে রাষ্ট্রীয় যন্ত্র ব্যবহার করেছেন।’
এর আগে সকালেই কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ মোট ১৯ জনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। শুনানিকালে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার, বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
হাজির হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নামের মধ্যে রয়েছেন: আনিসুল হক, ডা. দীপু মনি, আব্দুর রাজ্জাক, ফারুক খান, শাজাহান খান, গোলাম দস্তগীর গাজী, আমির হোসেন আমু, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, কামরুল ইসলাম, তৌফিক-ই ইলাহী চৌধুরী, সালমান এফ রহমান, কামাল আহমেদ মজুমদার, জুনায়েদ আহমেদ পলক, সোলাইমান সেলিম, বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন এবং এনটিএমসির সাবেক ডিজি জিয়াউল আহসান।
খবরওয়ালা/আরডি