খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক: সাজেক ভ্যালি পর্যটন কেন্দ্রে ফায়ার সার্ভিসের বিশেষায়িত একটি ইউনিট স্থাপনের উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা।
তিনি বলেছেন, ‘সাজেক ভ্যালিতে ফায়ার সার্ভিসের একটি বিশেষ ইউনিট স্থাপনের জন্য স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে অনুরোধ করবো। এখানে যে পানির সমস্যা সেটার নিরসন নিয়েও কাজ করা হবে। সাজেকে আগুনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমাদের এই এলাকায় কিছু হওয়া মানে অর্থনীতিতে কী পরিমাণ ক্ষতি, সেটা অনুমাণ করতে পারছি না।’
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘এখানে কটেজ মালিক সমিতির সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের করপোরেট লোনের ব্যবস্থা করে দিতে বাণিজ্য উপদেষ্টার সঙ্গে আলাপ করবো। যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের জন্য কীভাবে খাবারের ব্যবস্থা করা যায় সেটা নিয়েই চিন্তা-ভাবনা করছি। ঢাকায় গিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য কিছু চাল-ডাল পাঠিয়ে দেবো।’
এসময় তার সঙ্গে উপজাতীয় শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান সুদত্ত চাকমা, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কাজল তালুকদার, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরা, রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ, সাজেক ভ্যালিতে আগুনের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক মোবারক হোসেন, কমিটির সদস্যসচিব ও বাঘাইছড়ির ইউএনও শিরীন আক্তার, সাজেক কটেজ-রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি সুবর্ণ দেব বর্মন, স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সাজেক ভ্যালিতে ভয়াবহ আগুনে কটেজ-রিসোর্ট, রেস্টুরেন্ট ও স্থানীয়দের বসতবাড়িসহ ৯৫টি স্থাপনা পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এরমধ্যে ৩৫টি বসতঘর স্থানীয় লুসাই ও ত্রিপুরাদের। গত দুদিন আগুনে বসতঘর হারিয়ে লুসাই ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর প্রায় ২ শতাধিক মানুষ গির্জা ও মন্দিরে আশ্রয় নিয়েছেন। আবার অনেকে খোলা আকাশের নীচে রাত কাটাচ্ছেন।
খবরওয়ালা/এমএজেড