খবরওয়ালা আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫
ভারতের মধ্যপ্রদেশে একটি সরকারি হাসপাতালে এক ১৯ বছর বয়সী তরুণীকে গলা কেটে হত্যা করেছে এক যুবক। নিহত তরুণীর নাম সন্ধ্যা চৌধুরী। তিনি দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত অভিষেক কষ্টি নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। খবর এনডিটিভি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত শনিবার দুপুর ২টার দিকে এক বন্ধুর ভাবিকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন সন্ধ্যা। সেসময় হাসপাতালের ২২ নম্বর কক্ষের সামনে আগে থেকেই ঘোরাঘুরি করছিলেন অভিষেক। সেখানে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সন্ধ্যাকে মাটিতে ফেলে তাঁর বুকের ওপর চড়ে বসেন অভিযুক্ত এবং সঙ্গে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে গলায় এলোপাতাড়ি আঘাত করতে শুরু করেন।
চিকিৎসকেরা, নার্স, ওয়ার্ড বয়সহ আশপাশে অনেকেই উপস্থিত থাকলেও কেউ সাহায্যে এগিয়ে আসেননি।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, হাসপাতালের জরুরি বিভাগের খুব কাছেই ঘটনাটি ঘটেছে। কেউ কেউ ঘটনার আকস্মিকতায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন, আবার কেউ এমন ভাবে নিজের কাজ করে যাচ্ছিল যেন কিছুই ঘটেনি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, প্রায় ১০ মিনিট ধরে ওই তরুণীকে ছুরিকাঘাত করেছেন অভিযুক্ত অভিষেক। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে সন্ধ্যার মৃত্যু হয়। ঘটনার দেড় ঘণ্টা পর খবর পেয়ে হাসপাতালে পৌঁছে তাঁর পরিবার। তাঁরা এসে সন্ধ্যাকে রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। এতে ক্ষোভে ফেটে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কেন প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করল না, সেই জবাব চেয়ে হাসপাতাল অবরোধ করে রাখেন তাঁরা।
পরে, এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এই আশ্বাসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে কর্তৃপক্ষ। ঠিক কী কারণে এমন হত্যাকাণ্ড সে ব্যাপারে কিছু জানাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
খবরওয়ালা/এন