খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিভিন্ন শিক্ষাবোর্ডের জুনিয়র এবং অন্যান্য শ্রেণির বৃত্তির জন্য মোট ৬৮,৭৬৮ জন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। এতে সাধারণ শিক্ষা, মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা অন্তর্ভুক্ত। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ আনুষ্ঠানিকভাবে বৃত্তির ফলাফল ঘোষণা করেন। এই ঘোষণা শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ ও আনন্দের আবহ সৃষ্টি করেছে।
নিম্নলিখিত টেবিলে বোর্ডভিত্তিক নির্বাচিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা, শ্রেণি ও বৃত্তির ধরন দেখানো হলো:
| শিক্ষা বোর্ড | শ্রেণি | নির্বাচিত শিক্ষার্থী | মেধাবৃত্তি | সাধারণ বৃত্তি |
|---|---|---|---|---|
| সাধারণ শিক্ষা বোর্ড (৯টি) | জুনিয়র বৃত্তি | 46,200 | 14,700 | 31,500 |
| মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড | দাখিল (৮ম) | 11,180 | – | 11,180 |
| মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড | এবতেদায়ী (৫ম) | 11,180 | – | 11,180 |
| কারিগরি শিক্ষা বোর্ড | জেএস ও জেডি বৃত্তি | 208 | – | 208 |
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ৫ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা দুই ধরনের বৃত্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন – মেধাবৃত্তি এবং সাধারণ বৃত্তি।
মেধাবৃত্তি: শিক্ষার্থীরা প্রতি বছর এককালীন ৫৬০ টাকা এবং প্রতি মাসে ৪৫০ টাকা পাবে।
সাধারণ বৃত্তি: শিক্ষার্থীরা প্রতি বছর এককালীন ৩৫০ টাকা এবং প্রতি মাসে ৩০০ টাকা পাবে।
উভয় বৃত্তি সুবিধা শিক্ষার্থীরা সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত গ্রহণ করতে পারবেন। এই অর্থ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও শিক্ষা উন্নয়নের জন্য ব্যবহৃত হবে।
অনলাইন পদ্ধতি: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইটে (dpe.gov.bd) গিয়ে ‘Scholarship Result’ অপশনে রোল নম্বর এবং সাল ২০২৬ প্রদান করলে ফলাফল দেখা যাবে।
এসএমএস পদ্ধতি: মোবাইলের মেসেজ অপশনে বোর্ডের নাম, রোল নম্বর ও সাল লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফলাফল মেসেজ হিসেবে ফিরে আসবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, “বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা তাদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হবে। এই বৃত্তি শিক্ষার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমরা আশা করি শিক্ষার্থীরা এই সুযোগকে সঠিকভাবে কাজে লাগাবে এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করবে।”
এছাড়া, শিক্ষার্থীদের জন্য এই বৃত্তি শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, বরং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং প্রতিভার বিকাশে একটি প্রণোদনার উৎস হিসেবে কাজ করবে।