খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের প্রাক্কালে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এলপিজি (লিকুইফায়েড পেট্রোলিয়াম গ্যাস) আমদানির ক্ষেত্রে সুখবর দিয়েছে। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি নতুন কিছু নীতি ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে, যার ফলে এলপিজি আমদানি বৃদ্ধি পাবে এবং ভোক্তাদের জন্য দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সরকার এলপিজি আমদানিতে নির্দিষ্ট ক্রেডিট লাইন ও ব্যাংক সুবিধা নিশ্চিত করেছে, যা আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলিকে সহজ শর্তে ঋণ গ্রহণের সুযোগ দেবে। এর ফলে বিদেশ থেকে এলপিজি আনার খরচ কমবে এবং ভোক্তাদের কাছে পণ্য পৌঁছানো সহজ হবে। এ উদ্যোগ দেশের গ্যাস খাতকে আরও স্থিতিশীল করবে এবং দৈনন্দিন ব্যবহারকারীদের জন্য নিরাপদ জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করবে।
এছাড়া, এই উদ্যোগের সঙ্গে জ্বালানি খাতের ট্যাক্স ও কাস্টমস সুবিধা পুনঃপর্যালোচনা করা হয়েছে। ব্যাংকের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে এলপিজি আমদানিতে অন্তত ১৫–২০ শতাংশ বৃদ্ধি প্রত্যাশিত। এটি দেশীয় বাজারে এলপিজির অভাব কমাবে এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে।
অন্যদিকে, ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বুধবার (২৫ মার্চ) ভারতের হাইকমিশন থেকে পাঠানো বার্তায় তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বার্তায় তিনি উল্লেখ করেছেন, “ভারতের সরকার, জনগণ ও আমার নিজের পক্ষ থেকে আপনাকে এবং বাংলাদেশের জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। ভারত ও বাংলাদেশ একটি অভিন্ন ইতিহাস, সাংস্কৃতিক সংযোগ এবং ভাষাগত ঐতিহ্যের মাধ্যমে দৃঢ়ভাবে যুক্ত, যা আমাদের সম্পর্কের ভিত্তি সুগভীর করে।”
রাষ্ট্রপতি মুর্মুর বার্তায় আরও বলা হয়েছে, “বছরের পর বছর ধরে আমরা বিদ্যুৎ, জ্বালানি, বাণিজ্য, শিক্ষা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতে জনগণকেন্দ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করেছি। আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্ব আরও দৃঢ় করতে এবং আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
নিচে এলপিজি আমদানির সম্প্রতি ঘোষিত নীতিমালা ও ভারতের রাষ্ট্রপতির বার্তার সংক্ষিপ্ত তথ্য তুলে ধরা হলো—
| বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
|---|---|
| এলপিজি আমদানি বৃদ্ধি | কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নীতি ও ঋণ সুবিধা |
| সুবিধাভোগী | এলপিজি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান |
| অর্থনৈতিক প্রভাব | আমদানি খরচ কমবে, বাজারে স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি |
| প্রত্যাশিত বৃদ্ধি | ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে ১৫–২০% |
| ট্যাক্স ও কাস্টমস সুবিধা | পুনঃপর্যালোচনা ও সরলীকরণ |
| ভারতের রাষ্ট্রপতি বার্তা | বাংলাদেশ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা |
| দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক | বিদ্যুৎ, জ্বালানি, বাণিজ্য, শিক্ষা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি |
| লক্ষ্য | আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি |
এই পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশে এলপিজি সরবরাহ ও জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি, ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্ব এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মুক্ত হবে, যা দেশের অর্থনীতি ও জনগণের দৈনন্দিন জীবনকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করবে।