খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৯ আগস্ট ২০২৫
সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে সাংবাদিক তুহিন হত্যা মামলায় সরাসরি আটজনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিলেছে বলে জানিয়েছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার ড. মো. নাজমুল করিম খান। এদের মধ্যে সাতজনকে এরই মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (৯ আগস্ট) গাজীপুর মেট্রোপলিটনে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান জিএমপি কমিশনার।
তিনি বলেন, আসামিরা যদি নাও স্বীকার করে তবে তাদের এভিডেন্সই তাদের অপরাধ প্রমাণ করবে। পুলিশ সদস্যের স্বল্পতার কারণে গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকায় অপরাধ দমন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাংবাদিক তুহিন হত্যাকাণ্ডে পুলিশের কিছুটা ব্যর্থতা রয়েছে। গাজীপুরে ৫ আগস্টের পর অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। কর্মসংস্থান বন্ধ হয়ে গেলে অপরাধ বেড়ে যায়। এটা জননিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে জানান তিনি।
জিএমপি কমিশনার বলেন, গোলাপির হানিট্রাপে পড়ে ব্যাংক থেকে টাকা তোলা বাদশাহ যখন তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ায়, সেই দৃশ্যটি সাংবাদিক তুহিন ভিডিও করলে আসামিরা দেখে ফেলে। ভিডিও ডিলিট না করলে আসামিরা তুহিনকে কুপিয়ে হত্যা করে।
এদিকে গাজীপুরে সাংবাদিক তুহিন হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার স্বাধীন। শনিবার সকালে গাজীপুরের পোড়াবাড়ি ক্যাম্পে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান কোম্পানি কমান্ডার কে এম এ মামুন খান চিশতী।
তিনি বলেন, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত স্বাধীনকে মহানগরীর শিববাড়ি এলাকা গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তিনি ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন এবং এ ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।
যথার্থ নিরাপত্তা নিশ্চিত না করতে পারার দায় নিয়ে সাংবাদিক কমিউনিটির প্রতি দুঃখ প্রকাশ করেন এবং নিহত তুহিনের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান ড. মো. নাজমুল করিম খান ।
খবরওয়ালা/এফএস