খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬
দীর্ঘ ১ মাস ২২ দিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় ভারত থেকে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে চাল আমদানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দেশের বাজারে চালের দাম স্থিতিশীল রাখতে এবং স্থানীয় চাহিদা মেটাতে সরকার আমদানির অনুমোদন দেয়ার পরই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গতকাল বুধবার দুপুরে মেসার্স ডি পি এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠান ভারত থেকে দুটি ট্রাকে করে মোট ৭৭ টন চাল হিলি বন্দরে আনা হয়। হিলি কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা এমআর বাঁধন জানিয়েছেন, গত ৩০ নভেম্বর থেকে ভারত থেকে চাল আমদানি এই বন্দরে স্থগিত ছিল। ১ মাস ২২ দিন পর শুল্কমুক্তভাবে আমদানির কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ায় বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।
হিলি স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী কর্মকর্তা ইউসুফ আলী জানিয়েছেন, বর্তমানে ৩২ জন আমদানিকারককে মোট ১৪ হাজার টন চাল আমদানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই অনুমতি তারা তিন দিন আগে পেয়েছিলেন, তবে আনুষ্ঠানিকভাবে চাল আমদানির কার্যক্রম শুরু হয় গতকাল থেকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত থেকে চালের সরবরাহ পুনরায় শুরু হওয়ায় দেশের বাজারে চালের দাম স্থিতিশীল থাকবে এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ হবে। হিলি কাস্টমস সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আমদানিকারকদের পণ্য ছাড় দিচ্ছে, যার ফলে আমদানিতে কোনও বিলম্ব হওয়ার আশঙ্কা নেই।
চাল আমদানির সাম্প্রতিক অবস্থা সংক্ষেপে:
| ক্রমিক | আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান | চালের উৎস | চালের পরিমাণ (টন) | কার্যক্রমের তারিখ |
|---|---|---|---|---|
| ১ | ডি পি এন্টারপ্রাইজ | ভারত | ৭৭ | ২১ জানুয়ারি ২০২৬ |
| ২ | বিভিন্ন আমদানিকারক | ভারত | ১৪,০০০ (মোট অনুমোদিত) | ১৮–২১ জানুয়ারি ২০২৬ |
হিলি বন্দরের কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই পুনরায় চাল আমদানি কার্যক্রম দেশের বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহে সরবরাহ অব্যাহত থাকলে চালের খুচরা দাম স্থিতিশীল থাকতে পারে।
এছাড়া, হিলি বন্দরের কাস্টমস এবং উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে যাতে আমদানিকৃত চালের গুণমান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।