আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা তীব্র আকার ধারণ করেছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব বারবার সতর্ক করেও বহু নেতা…
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) শীর্ষ নেতৃত্বের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে দলের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা, যা সাম্প্রতিক জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট গঠনের…
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একই রাজনৈতিক দলের দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। কাটাখালী…
বিশ্বজুড়ে তরুণরা এখন সোশ্যাল মিডিয়া ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকটের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করছে। এই তরুণরা মূলত ‘জেনারেশন-জেড’ বা সংক্ষেপে জেন-জি নামে পরিচিত। চলতি বছরগুলিতে তারা বিভিন্ন দেশে সরকার ও নীতিনির্ধারকদের উপর সরাসরি চাপ সৃষ্টি করেছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এই আন্দোলনের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সীমিত, এবং অনেক ক্ষেত্রে জেন-জি আন্দোলন আরব বসন্তের মতোই “শক্তিশালী শুরু কিন্তু টেকসই পরিবর্তন আনতে ব্যর্থ” প্রমাণিত হচ্ছে। আত্মবিশ্বাসী প্রাথমিক মুহূর্তের পর, অনেক দেশের তরুণরা দেখেছে যে তাদের আন্দোলন রাজনৈতিক ব্যবস্থার মূল কাঠামোতে স্থায়ী পরিবর্তন আনতে সক্ষম হচ্ছে না। যেমন আরব বসন্তের ক্ষেত্রে তিউনিসিয়া একমাত্র ‘সফল’ দেশ হিসেবে ধরা হলেও সেখানে পরে নতুনভাবে কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থার উদ্ভব হয়। এই ইতিহাস আজকের জেন-জি আন্দোলনের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। জেন-জি আন্দোলনের উত্থান এবং আন্তর্জাতিক প্রভাব সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জেন-জি আন্দোলন দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, আফ্রিকা এবং লাতিন আমেরিকায় বিভিন্ন আকারে দেখা গেছে। এ আন্দোলন মূলত দুর্নীতি, অর্থনৈতিক সংকট, সামাজিক বৈষম্য এবং রাষ্ট্রক্ষমতার প্রতি অসন্তোষ থেকে উদ্ভূত। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জেন-জি আন্দোলনের মূল বৈশিষ্ট্য হলো দ্রুত বিস্তার, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার, তরুণদের নেতৃত্ব এবং গণমাধ্যমের সরাসরি অংশগ্রহণ। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দীর্ঘমেয়াদি দমনমূলক শাসন উল্টে দেয়। আন্দোলনের পর একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়। তবে কাঠামোগত সংস্কার সীমিত, অর্থাৎ বিদ্যমান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক শক্তি এখনও পুরনো রাজনৈতিক শ্রেণির মধ্যেই সীমাবদ্ধ। ২০২২ সালে শ্রীলংকায় তরুণদের নেতৃত্বাধীন গণ-অভ্যুত্থান রাজাপাকসে পরিবারের দুই দশক ধরে প্রভাবশালী ‘একচেটিয়া’ রাজনীতির অবসান ঘটায়। প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে এবং তার অর্থমন্ত্রী ভাই দেশত্যাগে বাধ্য হন। পরবর্তী ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ক্ষমতায় আসে ন্যাশনাল পিপলস পাওয়ার পার্টির নেতা অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে। এখানে নির্বাচনের ফলাফল, সংবিধান পরিবর্তন এবং প্রেসিডেন্সির ক্ষমতা হ্রাস করার মতো পদক্ষেপ দেখাচ্ছে যে, কিছু দেশ জেন-জি আন্দোলন থেকে দৃশ্যমান কাঠামোগত পরিবর্তন গ্রহণ করতে সক্ষম। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে নেপালে দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অকার্যকরতার প্রতিবাদে তরুণরা সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করে। তবে রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্র এখনও পুরনো রাজনৈতিক দলের হাতে রয়েছে। অর্থনৈতিক চাপ, বেকারত্ব এবং নিত্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি তীব্র, ফলে তরুণদের আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্যগুলোর বাস্তবায়ন সীমিত। মাদাগাস্কার, মরক্কো, ফিলিপাইন, কেনিয়া, তিমুর-লেস্তে, ইন্দোনেশিয়া, পেরু, বুলগেরিয়া, সার্বিয়া প্রভৃতি দেশে জেন-জি আন্দোলন বিভিন্ন আকারে দেখা গেছে। এই আন্দোলনের লক্ষ্যগুলো মূলত: দুর্নীতি দমন ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি সামাজিক ও শিক্ষাক্ষেত্রে বাজেট বরাদ্দ পুনর্বিবেচনা রাজনৈতিক অংশগ্রহণে তরুণদের ক্ষমতা বৃদ্ধি জীবনযাত্রার ব্যয় ও কর্মসংস্থানের সমস্যার সমাধান তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, অনলাইন-নির্ভর আন্দোলনগুলো দ্রুত ছড়িয়ে গেলেও টেকসই পরিবর্তন আনতে পারছে না। জেন-জি আন্দোলনের আন্তর্জাতিক চিত্র নিম্নের টেবিলে জেন-জি আন্দোলনের দেশভিত্তিক প্রভাব সংক্ষেপে দেওয়া হলো: দেশ…
দীর্ঘ এবং জটিল বিচার প্রক্রিয়ার পর অবশেষে বিএনপির প্রাক্তন মন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার আয়কর ফাঁকির…
আগামী জাতীয় গণভোটকে সামনে রেখে রাজনৈতিক মহলে এবং নাগরিক সমাজে সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত আলোচনার তীব্রতা বেড়েছে। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, যদি ভোটাররা গণভোটে ‘না’ ভোট দেন, তাহলে ১৯৭২ সালের সংবিধানটি বহাল থাকবে, যা বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর প্রণীত দেশের সর্বোচ্চ আইন হিসেবে গণ্য। সংবিধান সংশোধন প্রস্তাব অনুযায়ী, ভোটারদের সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক কাঠামো, শাসন ব্যবস্থার ধরন এবং নাগরিক অধিকার সংক্রান্ত মৌলিক কাঠামোতে সরাসরি প্রভাব ফেলবে। ‘না’ ভোট দিলে বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা, মৌলিক অধিকার, নির্বাচনী ও বিচারিক কাঠামো একই থাকবে। অন্যদিকে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদান করলে প্রস্তাবিত সংশোধনী কার্যকর হবে, যা সংবিধানের মৌলিক নীতি পরিবর্তনের পথ খুলে দেবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভোটারদের সচেতন অংশগ্রহণ দেশের সংবিধান ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। বিশেষ করে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো সংরক্ষণ এবং নাগরিক অধিকার বজায় রাখার জন্য এই গণভোটকে গুরুত্বপূর্ণ বলে তারা উল্লেখ করেছেন। প্রসঙ্গত, ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়নকালে দেশ স্বাধীনতার পর প্রজাতন্ত্র হিসেবে রাজনৈতিক কাঠামো এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য তৈরি করা হয়। সংবিধানটি বাংলাদেশের প্রজাতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ও বিচার ও প্রশাসনিক স্বাধীনতা সংরক্ষণের প্রাথমিক নথি। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটারদের সচেতন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমে বিস্তারিত প্রচার চালানো হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও সরাসরি ক্যাম্পেইন মাধ্যমে ভোটারদের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের অর্থ এবং প্রভাব বোঝানো হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলে এবং নাগরিক সমাজে বিভিন্ন ধরনের মতামত শোনা যাচ্ছে। কেউ মনে করছেন, ‘না’ ভোটের মাধ্যমে সংবিধান বহাল রাখা পুরনো কাঠামোকে শক্তিশালী করবে। অন্যরা বলেন, সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে দেশের শাসন ও প্রশাসনে নবীনতা ও সমন্বয় আনতে পারা সম্ভব। সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত এই গণভোটকে দেশের প্রজাতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গণভোটে প্রতিটি ভোটের গুরুত্ব অপরিসীম এবং তা দেশের ভবিষ্যতের রাজনৈতিক দিকনির্দেশ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সর্বোপরিবিতর্কিত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে ।
ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন শহরে টানা দুই রাত ধরে ব্যাপক সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। বিক্ষোভকারীরা তেহরানের সাদা’ত…
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা শুক্রবার রাতের দিকে মনিকগঞ্জ ও গাজীপুর জেলায় সমন্বিত অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা…
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির চেষ্টার দায়ে আটক হয়েছেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রভাবশালী নেতা মিনারুল ইসলাম।…
পাবনা-১ ও পাবনা-২ সংসদীয় আসনের নির্বাচন স্থগিত হওয়া নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি দূর করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি)…