খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট ২০২৫
রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় চার সন্তানের মা ফাহমিদা তাহসিন কেয়া (২৭) রহস্যজনকভাবে মারা গেছেন। তিনি পশ্চিম শেওড়াপাড়ার শামীম সরণির ৩২২ নম্বর মেট্রো পিলারের উল্টো পাশে ৫৮৩ অনামিকা কনকর্ড অ্যাপার্টমেন্টে স্বামী-সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন।
নিহতের পরিবার ও স্বজনদের অভিযোগ, পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী সিফাত আলী (৩০) শ্বাসরোধে হত্যার পর কৌশলে ফোন করে খবর দিয়ে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী এসআই মোস্তাফিজুর রহমান জানান, মরদেহ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং মৃত্যুর কারণ এখনো নিশ্চিত নয়, তবে স্বামী পলাতক।
নিহতের ফুফু সৈয়দা ফাতেমা জাহান কলি বলেন, বুধবার রাত ২টার দিকে সিফাত শাশুড়ি নাজমা বেগমকে ফোনে জানান কেয়া অসুস্থ এবং কিছুক্ষণ পর বলেন কেয়া মারা গেছেন। তারা বাসায় গিয়ে দেখেন সিফাত কেয়াকে নিয়ে পান্থপথের বিআরবি হাসপাতালে যাচ্ছেন। সেখানে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করলে সিফাত সেখান থেকে উধাও হয়ে যান। পরে বাসায় ফিরে দেখেন বাসায় তালা ঝুলছে।
নিহতের বাবা রফিকুল ইসলাম জানান, সিফাত বদমেজাজি ও কেয়ার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতেন। পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে দ্বন্দ্বও ছিল। কয়েকদিন আগে কেয়া সংসার ছাড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও পরিবার তাকে বুঝিয়ে রেখেছিল। তিনি দাবি করেন, কেয়াকে খুন করা হয়েছে, গলায় দাগও দেখা গেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সিফাতের বাবা দীর্ঘদিন হংকংয়ে আছেন এবং মা অনেক আগেই মারা গেছেন।
মিরপুর মডেল থানার ওসি মো. সাজ্জাত রোমান জানান, মরদেহ ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। সুরতহাল, ময়নাতদন্ত ও তদন্ত শেষে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা তখনই নিশ্চিত হবে।
খবরওয়ালা/টিএসএন