খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 1শে ভাদ্র ১৪৩২ | ১৬ই আগস্ট ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে আহত হাতিকে চিকিৎসা দিতে গিয়ে চিকিৎসকসহ বন বিভাগের ১৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দুই চিকিৎসকসহ তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বিজিবির হেলিকপ্টারে তাঁদের ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১৬ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রামু ক্যান্টনমেন্ট থেকে আহতদের ঢাকায় পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম। এর আগে গতকাল শুক্রবার বিকেলে হাতির আক্রমণে তাঁরা আহত হন।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে হাতিটি স্থলমাইন বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হয়। এর সামনের ডান পায়ের তলা ও নখ উড়ে গেছে। রক্তক্ষরণ ও পানিশূন্যতায় দুর্বল হয়ে পড়া হাতিটিকে বন বিভাগের চিকিৎসকরা সারিয়ে তোলার চেষ্টা করছিলেন। গতকাল বিকেলে হাতিটি নাইক্ষ্যংছড়ি ঘুমধুম হয়ে কক্সবাজারের রামু এলাকায় ঢুকে পড়ে। সেখানে চিকিৎসার সময় হঠাৎ আক্রমণ করলে ১৫ জন আহত হন। গুরুতর আহত তিনজনকে ঢাকায় নেওয়া হলেও অন্যরা কক্সবাজারের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ঢাকায় পাঠানো তিনজন হলেন কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের রাজারকুল রেঞ্জ কর্মকর্তা আলী নেওয়াজ, ডুলাহাজরা সাফারি পার্কের ভেটেরিনারি সার্জন হাতেম সাজ্জাদ জুলকারনাইন ও গাজীপুর সাফারি পার্কের ভেটেরিনারি সার্জন মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবু নাছের মোহাম্মদ ইয়াসিন নেওয়াজ বলেন, ‘গতকাল হাতির আক্রমণে গুরুতর আহত তিনজন রামু সেনানিবাসের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আজ তাঁদের ঢাকায় নেওয়া হয়েছে।’
কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ‘১৫ জনকে আহত করার পাশাপাশি একজনের কাছ থেকে একটি বন্দুকও শুঁড় দিয়ে কেড়ে নেয় হাতিটি। পরে সেটি খুঁজে বনের ভেতর থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। হাতিটি যাতে সুচিকিৎসা পায় সেই চেষ্টা চলছে।’
খবরওয়ালা/এন