খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পার্লামেন্টের প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছেন। বৈঠকে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি বিষয়ে বিস্তারিত অবহিত হয়েছেন ইউরোপীয় প্রতিনিধিরা।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন মিশন আজ (বুধবার) জানিয়েছে, প্রতিনিধিদল সরাসরি নির্বাচন কমিশনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, কার্যকারিতা এবং প্রস্তুতি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ সময় জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশন সব ধরনের কার্যক্রমের কেন্দ্রে থেকে প্রক্রিয়াটি সুচারুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, “নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আমরা সব ধরনের সহায়তা ও পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করছি যাতে জনগণ নির্ভয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে।” তিনি আরও যোগ করেন, প্রতিটি নির্বাচনী কেন্দ্র পর্যাপ্ত সংস্থান, নিরাপত্তা ও কর্মকর্তা দ্বারা সজ্জিত রাখা হয়েছে।
ইইউ প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে আলাপের পর নির্বাচন প্রক্রিয়া ও নির্বাচনী পরিবেশের বিস্তারিত পর্যালোচনা করেছেন। তারা ইতিমধ্যেই কমিশনের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নির্বাচনী প্রস্তুতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রশংসা করেছেন।
নীচের টেবিলে নির্বাচন সংক্রান্ত প্রধান প্রস্তুতিগুলো সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হলো:
| প্রস্তুতি বিষয় | বিস্তারিত বিবরণ |
|---|---|
| নির্বাচন তারিখ | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ |
| পর্যবেক্ষক | ইউরোপীয় পার্লামেন্ট প্রতিনিধি দল |
| কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ | নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রীয় কার্যালয় |
| নিরাপত্তা ব্যবস্থা | পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনী দ্বারা সম্পূর্ণ নিরাপত্তা |
| প্রযুক্তি ব্যবহৃত | ইভিএম এবং কেন্দ্রীয় ডেটা মনিটরিং সিস্টেম |
| জনসাধারণ সচেতনতা | প্রচারাভিযান, সংবাদ সম্মেলন ও সচেতনতা কর্মসূচি |
বৈঠকের পরে ইউরোপীয় প্রতিনিধি দল প্রধান জানিয়েছেন, তারা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় সন্তুষ্ট। তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত নির্বাচন আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে সম্পন্ন হবে।
নির্বাচনী কমিশনও তাদের পক্ষ থেকে পর্যবেক্ষক ও অংশগ্রহণকারীদের পূর্ণ সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। এটি দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দলে ইতিবাচক বার্তা প্রেরণ করবে।