কুমিল্লায় এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মা-ছেলে কারাগারে

কুমিল্লায় বিয়ে করার কথা বলে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া এক ছাত্রীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাত ঘটনার অভিযোগ উঠেছে । 

এই অভিযোগে ওই ছাত্রীর মায়ের করা মামলায় এক তরুণ ও তাঁর মাকে গ্রেপ্তার করে শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে কুমিল্লা নগরের চকবাজার এলাকার আসামিদের নিজ বাড়ি থেকে মা ও ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৭ জুন) বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অপর আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এ ছাড়া ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন সোয়াদুর রহমান ওরফে সিয়াম (২১) ও তাঁর মা তানিয়া আক্তার (৪০)। এর আগে ধর্ষণ এবং সোয়াদুরের মা ও বোনের সহায়তায় ওই ছাত্রীকে গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগে বুধবার থানায় মামলা করেন ওই ছাত্রীর মা।

মামলার এজাহারে স্কুলছাত্রীর পরিবার বলছে, অভিযুক্ত সোয়াদুরদের বাড়িতে প্রায় দুই বছর ভাড়া ছিল ওই ছাত্রীর পরিবার। একপর্যায়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন সোয়াদুর। যার ভিডিও ধারণ করে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে দুই বছরে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এ ছাড়া ভিডিওর কথা বলে পরিবার থেকে প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। পরে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিষয়টি সোয়াদুরের মাকে জানানো হয়। তখন পরিবারটিকে কুমিল্লা নগর ছাড়ার হুমকি দেন তিনি।

এজাহারে বলা হয়েছে, সর্বশেষ ২৪ জুন বিষয়টি মীমাংসার কথা বলে ওই তরুণীকে সোয়াদুরের নানার বাড়িতে নিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে বাচ্চা নষ্ট করার ওষুধ খেতে বাধ্য করা হয়। এ সময় তার পেটেও লাথি মারা হয়। পরে ওই ছাত্রীর মা তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান।

খবরওয়ালা/আশ

 

 

Tags :

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বশেষ খবর

খবরওয়ালা একটি বিশ্বস্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল, যেখানে বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও আপডেট প্রকাশ করা হয়। রাজনীতি, জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদ, শিক্ষা, খেলাধুলা, ব্যবসা, বিনোদন ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ খবর নিয়ে পাঠকদের জন্য রয়েছে নির্ভরযোগ্য ও সময়োপযোগী সংবাদ পরিবেশন।

© ২০২৬ খবরওয়ালা। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।