খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 5শে শ্রাবণ ১৪৩২ | ২০ই জুলাই ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
বাবার দ্বিতীয় বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গোপালগঞ্জে এসেছিলেন আশিক ভুঁইয়া (২৩)। বিয়ের পর নতুন মা-সহ ফিরছিলেন ঢাকার মিরপুরে। তবে বাসে ওঠার আগেই তাকে ধরে পুলিশ। বুধবার গোপালগঞ্জে হামলা-সংঘর্ষের ঘটনায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আশিকের বাবা শাহীন আলমের সঙ্গে রবিবার (২০ জুলাই) দুপুরে গোপালগঞ্জ জেলা কারাগারের সামনে গণমাধ্যমের কথা হয়। তিনি বলেন, ‘আমরা মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনে থাকি। ছয় মাস আগে আমার প্রথম স্ত্রী মারা যান। এরপর ছেলেদের আগ্রহের কারণে দ্বিতীয় বিয়ে করতে রাজি হই। গোপালগঞ্জ সদরের করপাড়া ইউনিয়নের কংসুরের এক মেয়ের সঙ্গে বিয়ের দিনক্ষণ ঠিক হয়। এরপর শুক্রবার কংসুরে বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। সেদিন দ্বিতীয় স্ত্রী ও ছেলেসহ ছয়জনকে নিয়ে রাত পৌনে ৮টার দিকে ঢাকায় ফেরার উদ্দেশে গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন বাসস্ট্যান্ডে যাই। বাসের অপেক্ষায় থাকার সময়ে আশিক অদূরে একটি দোকানে কিছু কিনতে যায়। অনেকক্ষণ না ফেরায় এগিয়ে গিয়ে জানতে পারি, তাকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে। পুলিশের গাড়ির খোঁজ করতে করতে শেষ পর্যন্ত সদর থানায় যাই। সেখানে শুনি হামলা-সংঘর্ষের ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে শনিবার আদালতে হাজির করার পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।’
শাহীন আলম জানান, তিনি পেশায় গাড়িচালক। তাঁর তিন ছেলের মধ্যে বড় আশিক পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি। বছরখানেক আগে আশিক সদরের উরফি ইউনিয়নের মধুপুরে বিয়ে করেন।
দুপুরে কারাফটকে শাহীন আলমের দ্বিতীয় স্ত্রী, আশিকের স্ত্রী, শাশুড়িসহ স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। তারা আশিকের সঙ্গে দেখা করতে চাইলেও সেই অনুমতি মেলেনি। পরে তারা জামিন আবেদনের জন্য ওকালতনামায় স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা চালান। সেজন্যও বিড়ম্বনায় পড়তে হয় তাদের।
এ ব্যাপারে জানতে গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মির মোহাম্মদ সাজেদুর রহমানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করে নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কল রিসিভ করেননি।
খবরওয়ালা/এন