খবরওয়ালা মফস্বল ডেস্ক
প্রকাশ: 19শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩২ | ২ই জুন ২০২৫ | 1149 Dhu al-Hijjah 5
চুয়াডাঙ্গায় মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আসার কয়েক ঘণ্টা পর মহিরুল ইসলাম (৪০) নামের এক হাজতি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। সোমবার (২ জুন) ভোর ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে মারা যান মহিরুল।
এর আগে রবিবার (১ জুন) বিকেলে একটি মাদকদ্রব্যের মামলায় তাকে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে নিয়ে আসা হয়েছিল। নিহত মহিরুল জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ালগাছি গ্রামের মৃত আকবর আলীর ছেলে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারের জেলার মো. ফখরুদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্যের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর আদালতের মাধ্যমে রবিবার বিকেল ৫টার দিকে মহিরুলকে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে নিয়ে আসা হয়। রাতে মহিরুল অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোরে মারা যান মহিরুল।
জেলার আরও জানান, মহিরুল স্ট্রোক করে মারা গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত এবং অন্যান্য আইনগত প্রক্রিয়া শেষ করে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে, পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, শারীরিক নির্যাতনের কারণে মহিরুল মারা গেছেন। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন আছে।
নিহত মহিরুলের বড় ভাই সুবার আলী অভিযোগ করে বলেন, ‘দর্শনা থানায় থাকা অবস্থায় মহিরুলের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। এ কারণেই মহিরুল মারা গেছে। মহিরুলকে যখন পুলিশ বাড়ি থেকে নিয়ে আসে তখন সে সুস্থ ছিল।’
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদ তিতুমির বলেন, ‘গ্রেপ্তার মহিরুল একটি পুরাতন মাদকদ্রব্যের মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। তাকে রবিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসা হয়। আধাঘণ্টার মধ্যে তার কাগজপত্র প্রস্তুত করে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। তার ওপর শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ সত্য নয়।’
খবরওয়ালা/আরডি