খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফরিদা খানমকে প্রত্যাহারের পর গত সাত দিনে তিন মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে। প্রথমে পরিবেশ, পরে সংস্কৃতি, সর্বশেষ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাঁকে বদলি করা হয়। এ বদলির কাজ গোপনীয়তার সঙ্গে হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
২১ সেপ্টেম্বর ফরিদা খানমকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হিসেবে বদলি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। ২৫ সেপ্টেম্বর ডিসি পদ থেকে রিলিজ হওয়ার দিন তাঁকে বদলি করা হয় সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে। তিনি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে যোগ দেননি। এর মধ্যেই গত রোববার তাঁকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে। তবে এ প্রজ্ঞাপন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়নি। অন্যদিকে নওগাঁর ডিসি মোহাম্মদ আবদুল আউয়ালকে চট্টগ্রামে বদলি করা হলে যোগ দেননি।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফরিদা খানমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় নামজারি করে দেওয়ার অভিযোগে দুই মাস ধরে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।
চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন বলেন, ফরিদা খানমের বিরুদ্ধে একাধিক তদন্ত হয়েছে। এখনও হচ্ছে। বদলির পর গত বৃহস্পতিবার তিনি রিলিজ হয়েছেন। চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) মো. কামরুজ্জামান ডিসির দায়িত্বে আছেন। নতুন ডিসি যোগ না দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বলতে পারবে। কারণ, মন্ত্রিপরিষদের অনুমোদনের পর নতুন ডিসি নিয়োগ হয়।’
এ বিষয়ে জানতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (জেলা ও মাঠ প্রশাসন) মোহাম্মদ খালেদ হাসানকে একাধিকবার মোবাইলে কল দিলে তিনি ধরেননি। নতুন ডিসি নিয়োগ না হওয়ার বিষয়ে জানতে চেয়ে মেসেজ পাঠানো হলেও তিনি উত্তর দেননি।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব বলেন, সাত দিনে তিন মন্ত্রণালয়ে বদলি– এটি সরকারের সিদ্ধান্ত। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, সচিব ও কর্মকর্তার চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ হয়েছে।
খবরওয়ালা/এমএজেড