খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 20শে ফাল্গুন ১৪৩১ | ৪ই মার্চ ২০২৫ | 1149 Dhu al-Hijjah 5
খবরওয়ালা মফস্বল ডেস্ক: চট্টগ্রামে আমদানিকারক, মিলমালিক, পাইকারি এবং খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রশাসন খোলা সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করেছে। আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল আমদানিকারকরা ১৫৩ টাকায় সরবরাহ করবেন। পাইকারি পর্যায়ে এটি ১৫৫ টাকায় এবং খুচরা পর্যায়ে সর্বোচ্চ ১৬০ টাকায় বিক্রি করা যাবে।
মঙ্গলবার (৪ মার্চ) বেলা একটার দিকে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলনকক্ষে ভোজ্যতেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সভায় চট্টগ্রাম সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেন এবং জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রব্যমূল্য নির্ধারণ করেন। এই মূল্য নির্ধারণ পুরো রমজান মাসসহ আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আমদানিকারকরা ১৫৩ টাকা, ট্রেডার্সে ১৫৫ টাকা ও খুচরা পর্যায়ে ১৬০ টাকা প্রতি লিটার খোলা তেল বিক্রি করবে, যা আজ (মঙ্গলবার) থেকে কার্যকর হয়ে আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। যেকোনো পর্যায়ে কেউ যদি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশিতে বিক্রি করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বিশেষ টাস্কফোর্স কমিটি।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. কামরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক, খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম, কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন, টিকে গ্রুপের প্রতিনিধি, সিটি গ্রুপের প্রতিনিধি প্রমুখ।
এর আগে, সোমবার (৩ মার্চ) বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ সংকটে দেশের বৃহত্তম পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জ পরিদর্শনে যান সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ও জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম। পরিদর্শনে গিয়ে ‘ভোজ্যতেল উধাওয়ের’ সত্যতা পেয়ে তেলের উৎপাদনকারী, আমদানিকারক ও আড়তদার ব্যবসায়ীদের নিয়ে বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘আমরা বাজার ঘুরে দেখছি। বাজারে ভোজ্যতেলের সংকট দেখা যাচ্ছে। এখানে মিলমালিকেরা আছেন, ব্যবসায়ীরা আছেন, সবার সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে আমরা দাম নির্ধারণ করে দিচ্ছি। এর বাইরে গিয়ে বিক্রি হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ব্যবসায়ীদের হুঁশিয়ার করে জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, ১৬০ টাকার বেশি দামে তেল বিক্রির সুযোগ নেই। আর বোতলজাত সয়াবিন তেলের ক্ষেত্রে গুদাম পর্যায়ে অভিযান চালানো হবে। আগামী দু-এক দিনের মধ্যে সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হবে। আর কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
খবরওয়ালা/আরডি