খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বগুড়ার নন্দীগ্রামে নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় জামায়াতে ইসলামীর দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন:
এটিএম মুজাহিদ, নন্দীগ্রাম পৌর জামায়াতের বায়তুলমাল সম্পাদক
রাকিবুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের আগে উপজেলার থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের পারশুন গ্রামে সংঘর্ষ ঘটে। ঘটনায় বিএনপির মাঝগ্রাম ইউনিয়ন সভাপতি মাসুদ রানা মজিদসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন এবং কিছু বাড়িঘর ভাঙচুরের শিকার হয়। আহতরা নন্দীগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
| ঘটনায় প্রাথমিক তথ্য | বিবরণ |
|---|---|
| ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সংখ্যা | কমপক্ষে ৫ জন গুরুতর আহত |
| মামলায় নাম উল্লেখ করা আসামি | ৩৫ জন |
| গ্রেপ্তারকৃত নেতারা | এটিএম মুজাহিদ, রাকিবুল ইসলাম |
| সংঘটিত স্থান | পারশুন গ্রাম, থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়ন |
| ক্ষতিগ্রস্ত সম্পত্তি | কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর |
নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, মামলার পর থেকেই আসামিরা পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মুজাহিদ ও রাকিবুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান এখনও চলমান।
স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, গ্রেপ্তারকৃত নেতাদের সঙ্গে কয়েকটি রাজনৈতিক সংঘর্ষের পূর্বসূত্র রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ সতর্কতা অবলম্বন করছে যাতে ভবিষ্যতে আরও বড় কোনো সহিংসতা না ঘটে।
নির্বাচনী পরিবেশ শান্ত রাখতে এবং সাধারণ ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে থানা প্রশাসন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে। গ্রেপ্তার ও মামলার তথ্য জানিয়ে ওসি মিজানুর রহমান বলেন, “আইনের শাসন বজায় রাখা আমাদের মূল লক্ষ্য। নির্বাচনের সময় যে কোনো ধরনের সহিংসতা আমরা সহ্য করব না।”
এই ঘটনার পর থেকেই নন্দীগ্রাম এলাকার রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয়রা আশা করছেন, পুলিশের দ্রুত ব্যবস্থা এবং প্রভাবশালী নেতাদের গ্রেপ্তারের ফলে এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে।