খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 26শে ভাদ্র ১৪৩২ | ১০ই সেপ্টেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ফলাফলকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া উত্তেজনা নিরসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের তিন উপদেষ্টা।
এ ছাড়া প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনারও দুই দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন।
মঙ্গলবার সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলে। দিনজুড়ে ভোটের আচরণবিধি লঙ্ঘন ও কারচুপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তোলে ছাত্রদল, ইসলামী ছাত্রশিবির ও বাগছাসের সমর্থিত প্রার্থীরা। নির্বাচনের দিনে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসের প্রবেশমুখগুলোতে অবস্থান নেন। প্রেস ক্লাব এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মীদের, আর শাহবাগ ও নিউমার্কেট এলাকায় জামায়াতের নেতাকর্মীদের অবস্থান লক্ষ্য করা যায়।
সন্ধ্যার পর উত্তেজনা আরও বাড়ে। মহানগর ছাত্রদল বাংলামোটর এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে শাহবাগে আসে। বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা নয়াপল্টনে জড়ো হন। একই সময়ে জামায়াত শাহবাগ এলাকায় অবস্থান নেয়। শাহবাগের একপাশে বিএনপির নেতাকর্মীদের উপস্থিতিও দেখা যায়। ফলে সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়।
রাজনৈতিক সূত্র জানায়, এ পরিস্থিতি শান্ত করতে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ, আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী এবং ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাদ আলী টেলিফোনে কথা বলেন বিএনপি ও জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আইন উপদেষ্টা এবং আরও দু-একজন ফোন করেছিলেন। তাঁরা উত্তেজনা কমাতে পরামর্শ দিয়েছেন। আমরা তাঁদের আশ্বস্ত করেছি, সংঘাতের কোনো আশঙ্কা নেই। দলের নেতাকর্মীদের এ বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।”
জামায়াতের জ্যেষ্ঠ নেতারাও উপদেষ্টাদের সঙ্গে ফোনালাপের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুই নেতা জানিয়েছেন, জামায়াত সংঘর্ষে জড়াবে না এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করবে না। তবে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার আগে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশ ছেড়ে যাবে না।
খবরওয়ালা/আশ