খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১ আগস্ট ২০২৫
নোয়াখালীর হাতিয়ায় তাঁতী দলের ইউনিয়ন পর্যায়ের এক নেতার বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে দীর্ঘ সাত মাস ধরে আত্মগোপনে ছিলেন চট্টগ্রামের এক আওয়ামী লীগ নেতা।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের অভিযানে ধরা পড়েছেন আলাউদ্দিন বেদন নামের ওই নেতা। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ১০টি ককটেল—যা নতুন করে নাশকতার পরিকল্পনার আশঙ্কা জাগিয়েছে।
বুধবার (৩০ জুলাই) দিবাগত রাতে হাতিয়া উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের জোড়খালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আটক আলাউদ্দিন বেদন চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড হরিষপুর গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে এবং সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনি পালিয়ে ছিলেন তাঁর শ্যালক সৈকতের বাড়িতে, যিনি নিজে বুড়িরচর ইউনিয়ন তাঁতী দলের সভাপতি।
স্থানীয়দের মতে, সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই বেদন গা ঢাকা দেন এবং আশ্রয় নেন শ্বশুরবাড়িতে। অভিযোগ রয়েছে, এই সুযোগে সৈকত তাঁর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করেছেন। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন সৈকত।
অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বেদনের সঙ্গে থাকা আরও ১৫–২০ জন সহযোগী পালিয়ে যায়। পরে তার শ্বশুরবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১০টি ককটেল উদ্ধার করা হয়।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা বলেন, “আটক আলাউদ্দিন বেদনকে ককটেলসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে নাশকতার মামলার প্রক্রিয়া চলছে। পলাতক সহযোগীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সৈকত বলেন, “আটক ব্যক্তি আমার দুলাভাই। তিনি যে আমার বাড়িতে ছিলেন, তা আমি জানতাম না। আর টাকার বিষয়টিও ভিত্তিহীন।”
তাঁতী দলের উপজেলা সভাপতি ফরহাদ উদ্দিন বলেন, “ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে সৈকতের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
খবরওয়ালা/ আশ