খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমান্ডার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বুধবার জানান, থার্টি ফার্স্ট নাইট বা ইংরেজি বছরের শেষ দিন উদযাপনের সময় রাজধানীতে মোটররেসিং করলে সংশ্লিষ্ট গাড়ি জব্দ করা হবে।
ডিএমপির সদর দপ্তরে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বড়দিন ও ইংরেজি বছরের শেষ দিন উদযাপনকে কেন্দ্র করে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডিএমপি কমিশনার বলেন, “নিরাপত্তার ঘেরাটোপে যেন সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচলে ব্যাঘাত না ঘটে, সে দিকে খেয়াল রাখা হবে। বড়দিন যেন ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয়, তার জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।”
ঢাকা শহরের ৭৩টি গির্জায় বড়দিনের অনুষ্ঠান হবে বলে জানা গেছে। এই উপলক্ষে সাইবার পেট্রোলিং জোরদার করা হয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে যাতে কোনো গুজব বা অপপ্রচার ছড়িয়ে পড়ে না।
কমিশনার আরও বলেন, “থার্টি ফার্স্ট নাইটকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে মোটররেসিং থেকে বিরত থাকা অপরিহার্য।”
সভায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) মো. সরওয়ার বলেন, “থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে যে কোনো পাবলিক অনুষ্ঠান আয়োজনের আগে ডিএমপির অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। এছাড়া পটকা ও বিস্ফোরক দ্রব্যের ক্রয়-বিক্রয় কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। নাগরিকদের আতশবাজি ও ফানুস ওড়ানো থেকে বিরত থাকার জন্যও আহ্বান জানানো হয়েছে।”
ডিএমপি সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই আয়োজনের সময় বিভিন্ন পুলিশ ও বিশেষ বাহিনী মোতায়েন থাকবে। এছাড়া সাইবার স্পেসে নজরদারি রাখা হবে যাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো গুজব ছড়িয়ে না পড়ে।
থার্টি ফার্স্ট নাইট নিরাপত্তা পরিকল্পনার সংক্ষিপ্ত তথ্য:
| বিষয় | বিস্তারিত |
|---|---|
| মোটররেসিং নিষেধাজ্ঞা | থার্টি ফার্স্ট নাইটে মোটররেসিং করলে গাড়ি জব্দ হবে |
| বড়দিনের অনুষ্ঠান সংখ্যা | ঢাকা মহানগরে ৭৩টি গির্জা |
| নিরাপত্তা ব্যবস্থা | অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন, সাইবার নজরদারি, গোয়েন্দা তৎপরতা |
| বিস্ফোরক নিয়ন্ত্রণ | পটকা, আতশবাজি, ফানুস বিক্রয় ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রিত |
| জনসচেতনতা | সবাইকে সতর্ক থাকার এবং অনুমতি ছাড়া অনুষ্ঠান না করার আহ্বান |
ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীর মানুষ যেন আনন্দের সঙ্গে উৎসব উদযাপন করতে পারে, তার জন্য সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।