খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 2শে অগ্রহায়ণ ১৪৩২ | ১৬ই নভেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন আইডি ও পেজ থেকে গ্রামীণ ব্যাংকের শাখা-উপশাখার ঠিকানা ছড়িয়ে দিয়ে আগুন ধরানো ও ভাঙচুরের উসকানি দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাংকের স্থাপনায় হামলা, ককটেল নিক্ষেপ এবং আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া কিছু স্থানে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পেট্রল ঢেলে আগুন দেওয়া হয়েছে। পুলিশ জানাচ্ছে, এ ধরনের অগ্নিকাণ্ডে ভাড়াটে তরুণ ও কিশোরদের ব্যবহার করা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিশেষ অভিযান জোরদার করেছে।
সম্প্রতি ১০ থেকে ১৩ নভেম্বর রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি এবং আগামী ১৭ নভেম্বর শেখ হাসিনার মামলার রায়কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের আগুন, বিস্ফোরণ ও নাশকতা ঘটেছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যথাযথ প্রস্তুতি নিয়েছে এবং রায় ঘোষণার পর কোনো বিশৃঙ্খলা হবে না।
সামাজিক মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যাংকের ঠিকানা শেয়ার করে হামলা ও অগ্নিসংযোগের উসকানি দেওয়া হচ্ছে। ফরিদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, গোপালগঞ্জ, মানিকগঞ্জ ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাংকের শাখায় পেট্রল ঢেলে আগুন দেওয়া এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। দেশের বিভিন্ন জেলার জুলাই স্মৃতিস্তম্ভেও আগুন দেওয়া হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানাচ্ছে, অগ্নিসংযোগে ভাড়াটে কিশোর-তরুণদের ব্যবহার করা হচ্ছে। সম্প্রতি মিরপুরে এক তরুণ মারা গেছেন এবং অন্য একজন গ্রেপ্তার হয়েছে। পুলিশ বলছে, তাদের কোনো রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই; শুধুমাত্র অর্থের লোভে তারা এ ধরনের কার্যক্রমে জড়িত হয়েছে।
নাশকতা ও অগ্নিসংযোগ প্রতিরোধে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং দেশের বিভিন্ন জেলায় বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রতিদিন হাজারের বেশি চিহ্নিত অপরাধী গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।
খবরওয়ালা/এসএস