খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 22শে বৈশাখ ১৪৩২ | ৫ই মে ২০২৫ | 1149 Dhu al-Hijjah 5
দেশে এখন পাঁচ শতাধিক দ্বৈত এনআইডিধারী রয়েছেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর।
তিনি বলেছেন, এসব নাগরিকের প্রথম জাতীয় পরিচয়পত্রটি বহাল রেখে দ্বিতীয়টি বাতিল করা হবে।
সোমবার (৫ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন এ এস এম হুমায়ুন কবীর।
এনআইডি সংশোধন প্রক্রিয়া সহজীকরণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়ে হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘জেলা পর্যায়ে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা পর্যায়ে এনআইডি সংশোধনের যে ক্ষমতা ছিল (গ ক্যাটাগরি), সেটা জেলা অফিসারকেও দায়িত্ব দিচ্ছি। মানুষের সেবা নিশ্চিত করার জন্য যৌক্তিক আবেদন যেগুলো- কমিশন দ্রুত অনুমোদন দিচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘কমিশন ও সচিবালয় আমরা সবাই মিলে মানুষকে দ্রুত সেবা দিতে চাই। আর আমাদের এনআইডি অনুবিভাগে প্রচুর আবেদন ঝুলে আছে। এগুলো যাতে দ্রুত নিষ্পত্তি করতে পারি, সেজন্য দায়িত্ব বণ্টন করে দিচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, “ইসি সচিবালয়ের অফিসারদের মাঝেও একটু ক্ষমতা পরিবর্তন করা হয়েছে, যাতে সেবা সহজ হয়। আঞ্চলিক পর্যায়ে ক্যাটাগরি করার ক্ষমতা দেওয়া আছে।আমরা মনিটর করছি।’
হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘দ্বৈত এনআইডি যাদের রয়েছে তাদের ব্যাপারে পরিষ্কার সিদ্ধান্ত—প্রথমটি রেখে দ্বিতীয়টি বাদ যাবে। এ পর্যন্ত যে তথ্য পেয়েছি দ্বৈত এনআইডি পাঁচ শতাধিক।
তিনি বলেন, ‘প্রায় ১৩ কোটির বেশি তথ্য একটা একটা করে খোঁজা সম্ভব নয়। কেউ যদি তথ্য দেয় আর আমরা যদি দেখতে পাই তবে ব্যবস্থা নিই।’
প্রথম সিদ্ধান্ত ছিল রোহিঙ্গাবিষয়ক ডেটাবেইসটা এপিআইয়ের মাধ্যমে ইসিকে দেওয়া।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য দপ্তর মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এই তথ্য আমাদের কাছে থাকবে। রোহিঙ্গা এবং বিদেশিদের আমরা আমাদের ডেটাবেইসে প্রবেশ করতে দেব না।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যদি রোহিঙ্গাদের আঙুলের ছাপ যাচাই করতে পারি তাহলেই হবে। কাজেই তাদের ভোটার তালিকায় ঢুকে যাওয়া সহজ হবে না। ভোটার হতে যিনি আসবেন, আমরা যত রকমভাবে সম্ভব চেক করে নেব।’
খবরওয়ালা/এসআর